স্বাধীনতা তুমি
“কবিতা সম্পর্কে শামসুর রাহমানের 'স্বাধীনতা তুমি' মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে প্রিয় ও বহুপঠিত কবিতাগুলোর একটি। ১৯৭১…”
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| পূর্ণ নাম | শামসুর রাহমান |
| জন্ম | ২৩ অক্টোবর ১৯২৯ |
| জন্মস্থান | ৪৬ নং মহুতটুলী, পুরান ঢাকা (নানার বাড়ি); পৈতৃক নিবাস পারাতলী, রায়পুরা, নরসিংদী |
| মৃত্যু | ১৭ আগস্ট ২০০৬, ঢাকা |
| সমাধিস্থল | বনানী কবরস্থান, ঢাকা |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশি |
| পেশা | কবি, সাংবাদিক, কলামিস্ট |
| শিক্ষা | পোগোজ হাই স্কুল (ম্যাট্রিক, ১৯৪৫); ঢাকা কলেজ (আই.এ.); ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — ইংরেজিতে বি.এ. (১৯৫৩) ও এম.এ. |
| উল্লেখযোগ্য কর্ম | প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (১৯৬০), বন্দী শিবির থেকে (১৯৭২), বুক তার বাংলাদেশের হৃদয় (১৯৮৮); ‘স্বাধীনতা তুমি’, ‘আসাদের শার্ট’ |
| পুরস্কার | বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৯), একুশে পদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৯১), আনন্দ পুরস্কার (১৯৯৪) |
শামসুর রাহমান (২৩ অক্টোবর ১৯২৯ – ১৭ আগস্ট ২০০৬) বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধের বাংলা সাহিত্যের প্রধান কবি এবং বাংলাদেশের ‘অঘোষিত জাতীয় কবি’ (আনঅফিসিয়াল পোয়েট লরিয়েট) হিসেবে পরিচিত। ষাটের বেশি কাব্যগ্রন্থের এই অত্যন্ত উৎপাদনশীল কবি ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা-উত্তর রাজনৈতিক উত্থান-পতন — বাংলাদেশের জন্ম ও বেড়ে ওঠার পুরো ইতিহাসকে ধারণ করেছেন কবিতায়। উদার মানবতাবাদ, তারুণ্যের রোমান্টিক বিদ্রোহ, মানবিক সম্পর্ক এবং ধর্মীয় মৌলবাদের বিরোধিতা — তার কবিতার মূল সুর। সাংবাদিক হিসেবেও তিনি ছিলেন প্রথম সারির: দৈনিক বাংলার সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দেশের সংবাদমাধ্যমকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, শিশুসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক।
লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের সংগ্রহে তার পঞ্চাশটি গ্রন্থ, ছয়টি কবিতার অনুবাদ-গ্রন্থ ও তিনটি সম্পাদিত গ্রন্থ রয়েছে — যা তার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির প্রমাণ। সমালোচক হুমায়ূন আজাদ ১৯৮৩ সালে তার কবিতার পূর্ণাঙ্গ সমালোচনামূলক গ্রন্থ লেখেন ‘শামসুর রাহমান: নিঃসঙ্গ শেরপা’ নামে।
সমালোচকদের মতে, রবীন্দ্র-পরবর্তী ও জীবনানন্দ-পরবর্তী বাংলা কবিতার ভাষা গঠনে তার ভূমিকা ছিল নির্ণায়ক। মধ্যবিত্ত জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতাকে তিনি যুক্ত করেছেন নিপীড়ন ও অবিচারের বিরুদ্ধে ব্যাপক সংগ্রামের প্রেরণার সঙ্গে — আর এই কাজে তার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল উদার মানবতাবাদের প্রগতিশীল ও দৃঢ় সংস্করণে রঞ্জিত।
১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নং মহুতটুলীতে নানার বাড়িতে শামসুর রাহমানের জন্ম। পৈতৃক বাড়ি ছিল মেঘনা নদীর তীরে নরসিংদীর রায়পুরা থানার পারাতলী গ্রামে। তেরো ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। বাবা মোখলেসুর রহমান চৌধুরী, মা আমেনা খাতুন। ঢাকার পুরনো শহরের গলি, মানুষ ও জীবনযাত্রা পরবর্তীকালে তার কবিতায় বারবার ফিরে এসেছে — ‘স্মৃতির শহর’ যেন তার কবিতারই আরেক নাম।
পোগোজ হাই স্কুল থেকে ১৯৪৫ সালে ম্যাট্রিক পাস করেন; এরপর ঢাকা কলেজ থেকে আই.এ.। ম্যাট্রিকের পর অবসর সময়ে রবীন্দ্রনাথের ‘গল্পগুচ্ছ’ পড়ে তিনি বলেছিলেন, বইটি তাকে এক ‘অসাধারণ জগতে’ নিয়ে গিয়ে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিল। আঠারো বছর বয়সে, ঢাকা কলেজ থেকে বেরিয়েই তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন; ১৯৪৯ সালে নলিনীকিশোর গুহ সম্পাদিত ‘সোনার বাংলা’ পত্রিকায় ছাপা হয় তার কবিতা ‘উনিশশো ঊনপঞ্চাশ’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে তিন বছর পড়ার পর পরীক্ষা না দিয়ে বিরতি নেন; পরে বি.এ. (পাস) কোর্সে ভর্তি হয়ে ১৯৫৩ সালে বি.এ. এবং একই বিষয়ে এম.এ. পাস করেন (দ্বিতীয় শ্রেণীতে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে) — যা প্রমাণ করে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনাতেও তার মেধা ছিল অসাধারণ, যদিও তার আসল পরিচয় গড়ে ওঠে কবিতার মাঠে।
১৯৫৭ সালে ইংরেজি দৈনিক মর্নিং নিউজে সহ-সম্পাদক হিসেবে তার সাংবাদিকতা জীবন শুরু হয়। মাঝে রেডিও পাকিস্তানের ঢাকা কেন্দ্রে কাজ করে ১৯৬০ সালে মর্নিং নিউজে ফিরে আসেন এবং ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সেখানে ছিলেন। স্বাধীনতার পর তিনি দৈনিক বাংলায় কলাম লিখতে শুরু করেন; ১৯৭৭ সালে এই জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক হন। পাশাপাশি ১৯৭৩ সাল থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক বিচিত্রার সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন — অর্থাৎ আশির দশকে তিনি একই সঙ্গে দেশের একটি প্রধান দৈনিক ও একটি প্রধান সাপ্তাহিকের সম্পাদক ছিলেন। এরশাদ আমলে দৈনিক বাংলায় তার ক্ষমতা খর্ব করতে ‘প্রধান সম্পাদক’ নামে নতুন পদ সৃষ্টি করা হলে ১৯৮৭ সালে তিনি প্রতিবাদে পত্রিকা ছেড়ে দেন। ১৯৮৬ সাল থেকে দুই বছর মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘অধুনা’-র সম্পাদক এবং ১৯৮৯ সালে সাপ্তাহিক ‘মূলধারা’-র প্রধান সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৫৬ সালে অনিয়মিত কবিতা পত্রিকা ‘কবিকণ্ঠ’-এর সম্পাদকমণ্ডলীতেও ছিলেন তিনি।
শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ প্রকাশিত হয় ১৯৬০ সালে। ষাট ও সত্তরের দশকের রাজনৈতিক অস্থিরতা তার কবিতায় স্পষ্ট ছাপ ফেলেছে। মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আসাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখেন বিখ্যাত কবিতা ‘আসাদের শার্ট’। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি লেখেন একের পর এক যুদ্ধভিত্তিক কবিতা — মুক্তিযোদ্ধাদের শিবিরে সেগুলো পাঠ করা হতো, যোদ্ধাদের প্রেরণা জোগাত; পরে সেগুলো সংকলিত হয় ‘বন্দী শিবির থেকে’ (১৯৭২) গ্রন্থে — বইটি প্রকাশিত হয় কলকাতা থেকে।
ষাটের দশকে তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে আছে ‘রৌদ্র করোটিতে’ (১৯৬৩), ‘বিদ্ধস্ত নীলিমা’ (১৯৬৭) ও ‘নিরালোকে দিব্যরথ’ (১৯৬৮)।
স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি হয়ে ওঠেন জাতির ইতিহাসের কবি: এরশাদ-বিরোধী আন্দোলনের সময় নূর হোসেনের আত্মত্যাগ নিয়ে লেখেন ‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়’ (১৯৮৮)। তার সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’ (১৯৭১) — মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল দিনগুলোতে লেখা এই কবিতায় স্বাধীনতাকে তিনি দেখেছেন রবীন্দ্রনাথের অজর কবিতা ও অবিনাশী গান হিসেবে, কাজী নজরুলের সৃষ্টিসুখের উল্লাসে কাঁপা মহান পুরুষ হিসেবে, আর শহীদের রক্তে লেখা প্রত্যয় হিসেবে। কবিতাটি আজও স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে পাঠ হয়। মুক্তছন্দে, পয়ার বা অক্ষরবৃত্তের ঢঙে লেখা তার কবিতা মধ্যবিত্ত জীবনের অভিজ্ঞতাকে রাজনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
তিনি বেশিরভাগ কবিতা লিখেছেন মুক্তছন্দে, পয়ার বা অক্ষরবৃত্তের ঢঙে — এই ধারা তিনি জীবনানন্দ দাশের কাছ থেকে নিয়েছিলেন বলে প্রচলিত; পাশাপাশি মাত্রাবৃত্ত ও স্বরবৃত্ত — বাংলা ছন্দের অন্য দুই প্রধান ধারাতেও লিখেছেন। আশির দশকে প্রকাশিত হয় ‘টেবিলে আপেলগুলো হেসে ওঠে’ (১৯৮৬), ‘অবিরল জলভ্রমি’ (১৯৮৬) প্রভৃতি গ্রন্থ; মৃত্যুর বছরও বেরোয় ‘অন্ধকার থেকে আলোয়’ ও ‘না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন’ (২০০৬)।
কবিতার বাইরেও তার বিস্তৃত রচনাসম্ভার: উপন্যাস (‘অক্টোপাস’, ১৯৮৩), ছোটগল্প, শিশুসাহিত্য, প্রবন্ধ, স্মৃতিকথা (‘কালের ধুলোয় লেখা’, ‘স্মৃতির শহর’) এবং অনুবাদ — রবার্ট ফ্রস্টের কবিতা ও শেক্সপিয়রের ‘হ্যামলেট’ তিনি বাংলায় অনুবাদ করেন। কবিতা লেখার পাশাপাশি তিনি ছিলেন নিয়মিত কলামিস্ট; ‘একান্ত ভাবনা’ গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে তার নির্বাচিত কলাম।
উপন্যাস হিসেবে লিখেছেন ‘অক্টোপাস’ (১৯৮৩), ‘অদ্ভুত আঁধার এক’ (১৯৮৫), ‘নিয়তি মন্তাজ’ (১৯৮৫) ও ‘এলো যে অবেলায়’ (১৯৯৪); শিশুদের জন্য লিখেছেন ‘আলাতিং বেলাতিং’ (১৯৭৪), ‘ধান ভানলে কুঁড়ো দেবো’ (১৯৭৭) প্রভৃতি ছড়ার বই। আত্মজীবনীমূলক রচনা ‘কালের ধুলোয় লেখা’ ও ‘স্মৃতির শহর’-এ ধরা আছে তার জীবন ও সময়ের দলিল।
শামসুর রাহমান বিয়ে করেন জোহরা বেগমকে (নবী বখশ ও কুদসিয়া বেগমের কন্যা); তাদের তিন সন্তান। স্বভাবে লাজুক এই মানুষটি ১৯৯০-এর দশকে হয়ে ওঠেন ধর্মীয় মৌলবাদ ও প্রতিক্রিয়াশীল জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার উদার বুদ্ধিজীবী। এর জেরে ১৯৯৯ সালের ১৮ জানুয়ারি জঙ্গি সংগঠন হরকাত-উল-জিহাদ-আল-ইসলামির সদস্যরা ঢাকার শ্যামলীর বাসায় তার ওপর কুড়াল দিয়ে হামলা চালায় — হামলাকারীদের নেতৃত্বে ছিল ঢাকা কলেজের ছাত্র হাসান। তিনি প্রাণে বাঁচলেও তার স্ত্রী গুরুতর আহত হন। মৌলবাদের বিরুদ্ধে তার এই দৃঢ় অবস্থান তাকে দেশের বিবেকবান বুদ্ধিজীবীদের প্রথম সারিতে স্থান করে দেয়। ২০০৪ সালে ঢাকার আদালত সাক্ষীর অভাবে হামলার অভিযুক্তদের খালাস দিলেও ২০১৬ সালে পুলিশ মামলাটি পুনরায় খোলার কথা বিবেচনা করে।
সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য শামসুর রাহমান পেয়েছেন দেশ-বিদেশের অসংখ্য সম্মাননা — মৃত্যুর বছর ২০০৬ সালেও তিনি পান টিএলএম সাউথ এশিয়ান লিটারেচার অ্যাওয়ার্ড।
নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে তার স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ে; দুবার বড় ধরনের হৃদযন্ত্রের অস্ত্রোপচার হয়। ১২ দিন কোমায় থাকার পর ২০০৬ সালের ১৭ আগস্ট হৃদযন্ত্র ও কিডনি বিকল হয়ে ঢাকায় তার মৃত্যু হয়; বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। বিবিসি নিউজ তার মৃত্যুর খবর প্রচার করে ‘কিংবদন্তি বাংলাদেশি কবির মৃত্যু’ শিরোনামে; নিউইয়র্ক টাইমসও তার প্রয়াণে শোকবার্তা প্রকাশ করে। মৃত্যুর পরও তিনি বাংলাদেশের কবিতার কেন্দ্রীয় চরিত্র হয়ে আছেন: সমালোচক হুমায়ূন আজাদ তাকে নিয়ে লিখেছিলেন ‘শামসুর রাহমান: নিঃসঙ্গ শেরপা’ (১৯৮৩); ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর, তার ৮৯তম জন্মদিনে গুগল বিশেষ ডুডল দিয়ে তাকে সম্মান জানায়। ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ — একটি জাতির জন্মের যে কাব্যিক দলিল তিনি রেখে গেছেন, তাই তাকে অমর করে রেখেছে।
সমালোচক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীর ভাষায়, শামসুর রাহমান ‘নিজ ঐতিহ্যে গভীরভাবে প্রোথিত’ থেকেও ‘আমাদের সময়ের ভাষাকে’ ধারণ করেছেন। অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের মতে, তিরিশের দশকের কবিদের ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে তিনি সেই ভূমিকে সম্প্রসারিত করেছেন এবং বাংলা কবিতায় নিজের স্থায়ী ছাপ রেখে গেছেন।
“কবিতা সম্পর্কে শামসুর রাহমানের 'স্বাধীনতা তুমি' মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে প্রিয় ও বহুপঠিত কবিতাগুলোর একটি। ১৯৭১…”
“কবিতা সম্পর্কে শামসুর রাহমানের ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা’ (১৯৭১-৭২) মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে শক্তিশালী কাব্যিক…”
“কবিতা সম্পর্কে শামসুর রাহমানের 'উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ' স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক হতাশার সবচেয়ে…”
“কবিতা সম্পর্কে ১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে লেখা 'বন্দী শিবির থেকে' মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে মর্মস্পর্শী…”
“কবিতা সম্পর্কে ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আসাদুজ্জামানের রক্তমাখা শার্টকে 'প্রাণের পতাকা' করে…”