সালমা বিনতে শামস
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
এক নজরে
| পূর্ণ নাম | সালমা বিনতে শামস (Salma Binte Shams; শামছ বানানেও প্রকাশিত) |
| জন্ম | ১০ ডিসেম্বর (জন্মসাল প্রকাশ্যে জানা যায়নি), নোয়াখালি |
| বেড়ে ওঠা | ঢাকার ধামরাই; পিতৃস্থান কুমিল্লা |
| পিতা-মাতা | শামসুল আলম ও হাবীবা আলম |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশি |
| পেশা | লেখক |
| শিক্ষা | ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স (অধ্যয়নরত); হাদিস বিভাগে কামিল (অধ্যয়নরত) |
| উল্লেখযোগ্য কর্ম | শান্তি একটি ফুলের নাম, এলিজাবেথ, অস্তিত্ব, ধ্রুবতারা, নীল পাখির চিলেকোঠা |
পরিচিতি
সালমা বিনতে শামস বাংলাদেশের ইসলামী ধারার তরুণ প্রজন্মের একজন নারী লেখক। কবিতা, গল্প ও উপন্যাস — তিন মাধ্যমেই তিনি লেখেন, তবে ইসলামি উপন্যাসের লেখক হিসেবেই পাঠকদের কাছে তিনি বেশি পরিচিতি পেয়েছেন। তার লেখায় ইসলামী মূল্যবোধ ও তরুণীদের জীবন-বাস্তবতার সংযোগ ঘটানোর প্রয়াস দেখা যায়।
জন্ম ও শিক্ষা
রকমারির লেখক-পরিচিতি অনুযায়ী, তার পিতা শামসুল আলম ও মাতা হাবীবা আলম। ১০ ডিসেম্বর নোয়াখালিতে তার জন্ম (জন্মসাল প্রকাশ্যে জানা যায়নি); পিতৃস্থান কুমিল্লা হলেও ছোটবেলা থেকে তিনি ঢাকার ধামরাইতে বেড়ে ওঠেন। পড়াশোনা করেছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স (অধ্যয়নরত), পাশাপাশি হাদিস বিভাগে কামিল (অধ্যয়নরত)।
সাহিত্যজীবন
ছোটবেলা থেকেই তিনি লেখালেখির সঙ্গে জড়িত; বিভিন্ন পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে কবিতা, গল্প ও উপন্যাস লিখে আসছেন। অসংখ্য যৌথ গ্রন্থের পাশাপাশি তার একক গ্রন্থ রয়েছে কয়েকটি: অস্তিত্ব, ধ্রুবতারা, নীল পাখির চিলেকোঠা ও শান্তি একটি ফুলের নাম।
তার সর্বাধিক পরিচিত বই শান্তি একটি ফুলের নাম (নবপ্রকাশ; দ্বিতীয় সংস্করণ ২০২২; ১০৮ পৃষ্ঠা) একটি ইসলামি উপন্যাস। লেখকের ভাষ্য অনুযায়ী বইটি বিশেষভাবে তরুণী বোনদের উদ্দেশ্যে লেখা — যেখানে গল্পের ভাঁজে ভাঁজে ইসলামের সৌন্দর্য, শুদ্ধ সম্পর্ক ও সুন্দর জীবনের পথ তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। পরবর্তীতে এলিজাবেথ (মাইক্রোটেক পাবলিকেশন্স, ২০২৪; ১৬০ পৃষ্ঠা) নামে আরেকটি বই প্রকাশিত হয়।
বর্তমান অবস্থা
তিনি সক্রিয়ভাবে লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন।
তথ্য-সীমাবদ্ধতা
জন্মসাল, পারিবারিক জীবনের বিস্তারিত, পুরস্কার ও অন্যান্য জীবন-তথ্য সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি; সেগুলো এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তার নাম কোথাও শামস, কোথাও শামছ বানানে প্রকাশিত হয়েছে — বইয়ের প্রকাশন-তথ্যে দুটি বানানই দেখা যায়।