শাখাওয়াৎ নয়ন
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
এক নজরে
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| পূর্ণ নাম | শাখাওয়াৎ নয়ন (Shakhawat Nayon) |
| জন্ম | ২০ মে (জন্মসাল প্রকাশ্যে যাচাইযোগ্য নয়) |
| জন্মস্থান | মাদারীপুর জেলার কুন্তিপাড়া গ্রামে নানাবাড়িতে |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশি |
| পেশা | লেখক, প্রাবন্ধিক, গল্পকার, ঔপন্যাসিক, গবেষক, শিক্ষক |
| শিক্ষা | রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (সমাজবিজ্ঞান); নিউক্যাসল বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়া (পাবলিক হেলথে পিএইচডি) |
| উল্লেখযোগ্য কর্ম | ব্যাপ্টিস্ট চার্চ এবং একটি টিকটিকির গল্প (২০১২), অদ্ভুত আঁধার এক (২০১৩), নিয়তিপাড়ে গলে যাওয়া ডিমগুলি (২০১৪) |
পরিচিতি
শাখাওয়াৎ নয়ন বাংলাদেশের প্রবাসী লেখকদের মধ্যে একজন সক্রিয় নাম। একাডেমিক গবেষক হিসেবে পাবলিক হেলথে পিএইচডি করা এই লেখক একই সঙ্গে সাহিত্যের নানা শাখায় — প্রবন্ধ, নিবন্ধ, গল্প ও উপন্যাসে — লিখে চলেছেন। ঢাকা, কলকাতা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও লন্ডন থেকে প্রকাশিত বাংলা পত্রপত্রিকা ও অনলাইন প্রকাশনায় তার লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হয়।
জন্ম ও পরিবার
তার নিজের লেখা জীবনবৃত্তান্ত অনুযায়ী, মাদারীপুর জেলার কুন্তিপাড়া গ্রামে নানাবাড়িতে ২০ মে তার জন্ম। বাবা মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব আলী মোল্লা এবং মা রিজিয়া বেগম। বাল্যকালে ছোট চাচাকে চিঠি লেখার মধ্য দিয়েই তার লেখালেখিতে হাতেখড়ি হয়।
শিক্ষাজীবন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাস্টার্স পরীক্ষায় তিনি প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। সমাজবিষয়ক গবেষণা দিয়ে তার আনুষ্ঠানিক কর্মজীবন শুরু হয়। পরে তিনি অস্ট্রেলিয়ার নিউক্যাসল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পাবলিক হেলথ’-এ পিএইচডি করেন।
সাহিত্যজীবন
তার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ব্যাপ্টিস্ট চার্চ এবং একটি টিকটিকির গল্প (২০১২), প্রথম উপন্যাস অদ্ভুত আঁধার এক (২০১৩) এবং প্রথম নিবন্ধগ্রন্থ নিয়তিপাড়ে গলে যাওয়া ডিমগুলি (২০১৪)। তিনি নিজেকে প্রধানত প্রবন্ধ-নিবন্ধের লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন, পাশাপাশি গল্প ও উপন্যাসও লিখেছেন। সম্প্রতি তিনি শিক্ষক ও লেখক হিসেবে বিভিন্ন অনলাইন আলোচনায় (যেমন আরপি স্টেশনের টক শো) সঞ্চালকের ভূমিকায়ও দেখা গেছে।
তথ্য-সীমাবদ্ধতা
তার জন্মের তারিখ (২০ মে) নিজের ব্লগ-জীবনবৃত্তান্তে উল্লেখ আছে, তবে জন্মসাল কোনো নির্ভরযোগ্য প্রকাশ্য সূত্রে যাচাই করা যায়নি। পুরস্কার বা সম্মাননার তথ্যও যাচাইযোগ্য সূত্রে পাওয়া যায়নি, তাই পুরস্কারের তালিকা খালি রাখা হয়েছে।