মুফতি হারুন ইজহার (হাফি.)
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
এক নজরে
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| পূর্ণ নাম | মুফতি হারুন ইজহার (Mufti Harun Izhar) |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশি |
| পেশা | ইসলামি লেখক ও ধর্মীয় নেতা |
| পিতা | মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী (জামিয়াতুল উলুম আল-ইসলামিয়া লালখান বাজার, চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা) |
| উল্লেখযোগ্য কর্ম | আল কোরআনের দারস (১–৩), দারসুল আকিদা, নুসূসের আলোকে জাহিলিয়্যাহ, জীবনের অর্থগুলো কোরআনের শব্দে শব্দে (১), চেতনার ইশতেহার, আলিম সমাজের প্রতি নসীহত |
| অবস্থা | জীবিত |
পরিচিতি
মুফতি হারুন ইজহার বাংলাদেশের একজন ইসলামি লেখক ও ধর্মীয় নেতা। তিনি চট্টগ্রামের জামিয়াতুল উলুম আল-ইসলামিয়া লালখান বাজার মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরীর পুত্র। কোরআন, হাদিস, আকিদা ও ইসলামি চিন্তাধারা বিষয়ে তার একাধিক বই প্রকাশিত হয়েছে। তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন — বিলুপ্ত কমিটির শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে এবং পরবর্তী প্রতিবেদনে যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে তার নাম উল্লেখিত হয়েছে।
সাহিত্যজীবন
ইসলামি বইয়ের বাজারে (যেমন কিতাবঘর) তার নামে একাধিক বই তালিকাভুক্ত আছে। তার প্রকাশিত বইগুলোর মধ্যে রয়েছে আল কোরআনের দারস (১ম, ২য় ও ৩য় খণ্ড), দারসুল আকিদা, নুসূসের আলোকে জাহিলিয়্যাহ, জীবনের অর্থগুলো কোরআনের শব্দে শব্দে (১), চেতনার ইশতেহার, আলিম সমাজের প্রতি নসীহত এবং মুফতী আযম ফয়জুল্লাহ রহ. এর রাজনৈতিক চিন্তাধারা। তার বইগুলো প্রকাশ করেছে ইত্তিহাদ পাবলিকেশন, খান প্রকাশনী, চিন্তাপত্র প্রকাশন, নাশাত পাবলিকেশন ও শব্দতরু।
কর্মজীবন ও সংবাদে উল্লেখ
২০২১ সালের ২৯ এপ্রিল ভোরে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) চট্টগ্রামের লালখান বাজার মাদ্রাসা থেকে তাকে আটক করে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে হাটহাজারী ও পটিয়ায় সহিংসতার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাসহ একাধিক মামলায় তিনি অভিযুক্ত ছিলেন; চট্টগ্রামের আদালত তাকে তিন মামলায় নয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। ২০১৩ সালের লালখান বাজার মাদ্রাসার বিস্ফোরণ-সংক্রান্ত মামলাতেও তার নাম ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে। এই তথ্যগুলো সংবাদসূত্রভিত্তিক; মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি সম্পর্কে প্রকাশ্যে যাচাইযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।
বর্তমান অবস্থা
মুফতি হারুন ইজহার জীবিত আছেন। তার জন্মতারিখ, জন্মস্থান ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সম্পর্কে প্রকাশ্যে যাচাইযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।
তথ্য-সীমাবদ্ধতা: জন্মতারিখ, জন্মস্থান ও শিক্ষাজীবন সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য প্রকাশ্য সূত্র পাওয়া যায়নি বলে সেগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে; আইনি বিষয়গুলো শুধুমাত্র সংবাদপ্রতিবেদনের ভিত্তিতে, নিরপেক্ষভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।