মাহমুদুর রহমান
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
এক নজরে
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| পূর্ণ নাম | মাহমুদুর রহমান |
| জন্ম | ১৯৯৪ |
| জন্মস্থান | বরিশাল শহর (কীর্তনখোলা নদীর তীরে); পিতৃপুরুষের ভিটা নদীর ওপারে দিনার গ্রামে |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশি |
| পেশা | লেখক, ইতিহাস-গবেষক |
| শিক্ষা | মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল; নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় — ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রকাশক-প্রদত্ত জীবনী অনুযায়ী) |
| উল্লেখযোগ্য কর্ম | মোগলনামা — ১ম খণ্ড, মোগলনামা — ২য় খণ্ড |
পরিচিতি
মাহমুদুর রহমান (জন্ম ১৯৯৪) বাংলাদেশের একজন তরুণ লেখক ও ইতিহাস-গবেষক, যিনি মোগল সাম্রাজ্যের ইতিহাস নিয়ে লেখা দুই খণ্ডের মোগলনামা গ্রন্থের মাধ্যমে পাঠকমহলে পরিচিতি পেয়েছেন। প্রকৌশল-শিক্ষার্থী হয়েও ইতিহাসের প্রতি গভীর অনুরাগ থেকে তিনি গল্পচ্ছলে ইতিহাস বলার ধারায় লিখছেন। উল্লেখ্য, তিনি দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সাংবাদিক-সম্পাদক মাহমুদুর রহমান (জন্ম ১৯৫৩) নন — প্রকাশকের জীবনী অনুযায়ী মোগলনামা-এর লেখক সম্পূর্ণ ভিন্ন, ১৯৯৪ সালে জন্মগ্রহণকারী একজন তরুণ লেখক।
জন্ম ও শিক্ষা
১৯৯৪ সালে কীর্তনখোলা নদীর তীরে বরিশাল শহরে তার জন্ম। নদীর অন্য পাড়ে দিনার গ্রামে তার পিতৃপুরুষের ভিটা, যেখানে শৈশবের কিছু অংশ কেটেছে। ছয় বছর বয়সে পিতামাতার হাত ধরে তিনি রাজধানী ঢাকায় আসেন। শিক্ষাজীবন শুরু হয় মায়ের কাছে; এরপর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে স্কুলজীবনের দশ বছর কাটান। প্রকাশকের জীবনী অনুযায়ী তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অধ্যয়নরত।
সাহিত্যজীবন
লেখালেখির সূচনা হয়েছিল ভালোলাগা থেকে — ইচ্ছে ছিল দু-একটা গল্প লেখার। লিখতে লিখতে উপন্যাস লেখার আশাও ছিল। কিন্তু কেমন করে যেন গল্প থেকে ইতিহাসের পথে চলা শুরু হয় তার; প্রকাশকের ভাষায়, “হয়ত ইতিহাসের ভেতরে অনেক গল্প থাকে বলেই এ যাত্রায় এতো আগ্রহ।” ইতিহাস থেকে এখন তিনি ছোটগল্প, উপন্যাস ও সমালোচনা লিখছেন। তার লেখা বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে ও জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে।
রচনাবলি: মোগলনামা
তার প্রধান কীর্তি দুই খণ্ডের মোগলনামা (প্রকাশক: আহমদ পাবলিশিং হাউজ)। প্রথম খণ্ডে মোগল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবুরের উত্থান থেকে আওরঙ্গজেবের মৃত্যু পর্যন্ত শাসনামলের কালক্রমিক বিবরণ ও বিশ্লেষণ দেওয়া হয়েছে; দ্বিতীয় সংস্করণ (২০২৪) ৪৩২ পৃষ্ঠার। দ্বিতীয় খণ্ডে ১৭০৭ খ্রিষ্টাব্দের পরের মোগল ইতিহাস — নাদির শাহের দিল্লি অভিযান, আবদালীর আক্রমণ, পানিপাতের তৃতীয় যুদ্ধ, পলাশীর যুদ্ধসহ মারাঠা, শিখ, বাংলা-অযোধ্যার নবাবি ও ব্রিটিশ ক্ষমতা-দখলের প্রেক্ষাপট — বিস্তৃতভাবে আলোচিত হয়েছে; দ্বিতীয় সংস্করণ (২০২৪) ৩২০ পৃষ্ঠার। বইটি প্রচলিত তথ্যঠাসা ইতিহাস-গ্রন্থের মতো কঠিন নয় — কখনও গল্পচ্ছলে, কখনও পাঠকের সঙ্গে আলাপচারিতার ঢঙে মোগল ইতিহাসের ঘটনা, উপকথা ও ঐতিহাসিক সত্য উপস্থাপন করা হয়েছে, সঙ্গে তৎকালীন ভারতের একটি সামগ্রিক চিত্র।
বর্তমান অবস্থা
মাহমুদুর রহমান জীবিত আছেন এবং লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রকাশকের জীবনী অনুযায়ী ইতিহাস, ছোটগল্প, উপন্যাস ও সমালোচনা — সবকিছু সঙ্গে করে অনেকদিন লিখে যাওয়ার ইচ্ছা তার রয়েছে।
তথ্য-সীমাবদ্ধতা: এই প্রোফাইলের জীবনীমূলক তথ্য মূলত প্রকাশকের (রকমারি/আহমদ পাবলিশিং হাউজ) প্রদত্ত লেখক-জীবনীর ওপর নির্ভরশীল; স্বতন্ত্র সংবাদমাধ্যমে তার ব্যক্তিজীবন সম্পর্কে বিস্তারিত যাচাইযোগ্য তথ্য সার্বজনিকভাবে পাওয়া যায়নি। তার কোনো পুরস্কারের তথ্যও যাচাই করা যায়নি।