বাপ্পী খান
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
এক নজরে
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| নাম | বাপ্পী খান (Bappy Khan) |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশি |
| পেশা | ঔপন্যাসিক, সংগীতশিল্পী, মিডিয়া কর্মী |
| ধারা | ক্রাইম থ্রিলার, সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার, অতিপ্রাকৃত হরর |
| প্রকাশনী | বাতিঘর প্রকাশনী |
| উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ | অন্ধকার ট্রিলজি (হার না মানা অন্ধকার, ঘিরে থাকা অন্ধকার, কেটে যাক অন্ধকার), আসছে অন্ধকার (২০২৩), বুনো সিরিজ (হিমঘুম, নিনাদ, ক্রান্তি — ২০২৪), জোনাক (২০২৬) |
পরিচিতি
বাপ্পী খান বাংলাদেশের সমসাময়িক থ্রিলার-হরর ঔপন্যাসিক। ক্রাইম থ্রিলার, সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ও অতিপ্রাকৃত হরর ধারায় তাঁর উপন্যাস বাতিঘর প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়। লেখালেখির পাশাপাশি তিনি সংগীতশিল্পী ও মিডিয়া কর্মী হিসেবে পরিচিত; নিজের বইয়ের প্রচ্ছদও তিনি নিজে তৈরি করেন।
সাহিত্যজীবন
অতিপ্রাকৃত ধারার ‘অন্ধকার ট্রিলজি’ — হার না মানা অন্ধকার, ঘিরে থাকা অন্ধকার ও কেটে যাক অন্ধকার — দিয়ে তিনি পাঠকমহলে পরিচিতি পান; পরে এই ধারাবাহিকের প্রিক্যুয়েল ট্রিলজির প্রথম বই আসছে অন্ধকার (২০২৩) প্রকাশিত হয়। পরিবেশ-থ্রিলার ‘বুনো’ সিরিজের তিনটি বই — হিমঘুম, নিনাদ ও ক্রান্তি (২০২৪); শেষ বইটিতে কৃত্রিমভাবে ছড়ানো প্রাণঘাতী ভাইরাস ও এর আড়ালের ষড়যন্ত্রের গল্প বলা হয়েছে। ২০২৬ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর সাইকোলজিক্যাল/ক্রাইম থ্রিলার জোনাক — ঢাকা শহরে সংঘটিত একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও কিশোর অপরাধের পটভূমিতে হোমিসাইড ইন্সপেক্টর নীলিমার তদন্ত-কাহিনি।
তথ্য-সীমাবদ্ধতা
তাঁর জন্মতারিখ, জন্মস্থান, শিক্ষাজীবন ও পারিবারিক তথ্য প্রকাশ্য নির্ভরযোগ্য সূত্রে পাওয়া যায়নি; তাই এই প্রোফাইলটি তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ও প্রকাশনা-বিবরণের ভিত্তিতে রচিত এবং এসব ক্ষেত্র ফাঁকা রাখা হয়েছে।