ড. আলী মুহাম্মদ আস-সাল্লাবী
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
এক নজরে
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| পূর্ণ নাম | ড. আলী মুহাম্মদ আস-সাল্লাবী (আরবি: علي محمد الصلابي) |
| জন্ম | ১৯৬৩ |
| জন্মস্থান | বেনগাজি, লিবিয়া |
| জাতীয়তা | লিবীয় |
| পেশা | ইতিহাসবিদ, গবেষক, ইসলামি পণ্ডিত, লেখক |
| শিক্ষা | মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় (বিএ, অনার্স — শ্রেণীতে প্রথম); ওমদুরমান ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়, সুদান (এমএ ও পিএইচডি, ১৯৯৯) |
| উল্লেখযোগ্য কর্ম | Noble Life of The Prophet (৩ খণ্ড); The Biography of Abu Bakr As-Siddeeq; Umar bin Khattab: His Life and Times (২ খণ্ড); The Biography of Uthman Ibn Affan; Ali ibn Abi Talib (২ খণ্ড); Salah Ad-Deen Al-Ayubi (৩ খণ্ড); al-Hasan ibn Ali: His Life and Times |
পরিচিতি
আলী মুহাম্মদ আস-সাল্লাবী ১৯৬৩ সালে লিবিয়ার বেনগাজিতে জন্মগ্রহণ করেন; একটি সূত্রানুসারে তার পরিবার তুর্কি বংশোদ্ভূত। তিনি মুসলিম ইতিহাসবিদ ও ইসলামি পণ্ডিত হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত — ইসলামের প্রথম যুগের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসের ওপর বহুখণ্ড, বিশদ ও বিশ্লেষণধর্মী জীবনীগ্রন্থের জন্য। সৌদি-ভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা দারুসসালাম ও ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক পাবলিশিং হাউসের মাধ্যমে তার অন্তত দশটি গ্রন্থ ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে; মহানবী (সা.) ও খোলাফায়ে রাশেদিনকে নিয়ে তার জীবনীগ্রন্থমালার মোট পৃষ্ঠা আট হাজারেরও বেশি। পাশ্চাত্যের মুসলিম পাঠকমহলেও তার গ্রন্থ ব্যাপকভাবে প্রচারিত ও পঠিত।
শিক্ষাজীবন
মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি অনার্সসহ বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন এবং শ্রেণীতে প্রথম হন। এরপর সুদানের ওমদুরমান ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও পিএইচডি (১৯৯৯) ডিগ্রি লাভ করেন; তার মাস্টার্স থিসিসের বিষয় ছিল al-Wasatiyah fi al-Qur’an al-Karim। মদিনা, সৌদি আরবের অন্যান্য অঞ্চল, লিবিয়া ও ইয়েমেনের বিশিষ্ট পণ্ডিতদের কাছে তিনি কুরআন ও ইসলামি শাস্ত্রে অধ্যয়ন করেছেন বলে প্রকাশক-সূত্রে জানা যায়।
রাজনৈতিক জীবন
লেখালেখির পাশাপাশি আস-সাল্লাবী লিবিয়ার রাজনীতিতেও বিতর্কিত ভূমিকা রেখেছেন। গাদ্দাফি শাসনামলে তিনি আবু সালিম কারাগারে দীর্ঘদিন আটক ছিলেন; মুক্তির পর সৌদি আরব, সুদান ও কাতারে অধ্যয়ন করেন। ২০১১ সালের লিবীয় বিপ্লবকালে বিদ্রোহীদের কাছে কাতারি মানবিক ও সামরিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার মুখ্য মাধ্যম হিসেবে তিনি কাজ করেন। গাদ্দাফির পতনের পর তিনি ‘ন্যাশনাল গ্যাদারিং ফর ফ্রিডম, জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ (পরবর্তীতে লিবিয়ান ন্যাশনাল পার্টি) প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৭ সালের কাতার-কূটনৈতিক সংকটের পর কয়েকটি আরব রাষ্ট্র তাকে সন্ত্রাস-নজরদারি তালিকায় রাখে ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেয়। এই তথ্যগুলো পাশ্চাত্য সংবাদমাধ্যম ও বিশ্বকোষীয় সূত্রে ব্যাপকভাবে প্রতিবেদিত।
তথ্য-সীমাবদ্ধতা
তার জন্মের মাস ও তারিখ প্রকাশ্য সূত্রে পাওয়া যায়নি, ফলে কেবল জন্মবছর (১৯৬৩) দেওয়া হলো।