মূল কন্টেন্টে যান
টেরি হেইস

টেরি হেইস

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

এক নজরে

বিষয় তথ্য
পূর্ণ নাম টেরি হেইস (Terry Hayes)
জন্ম ৮ অক্টোবর ১৯৫১
জন্মস্থান সাসেক্স, ইংল্যান্ড
জাতীয়তা অস্ট্রেলীয় (ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী)
পেশা ঔপন্যাসিক, চিত্রনাট্যকার, প্রযোজক, সাংবাদিক
উল্লেখযোগ্য কর্ম ম্যাড ম্যাক্স ২ (১৯৮১), ডেড ক্যাম (১৯৮৯), ব্যাংকক হিলটন, পেব্যাক, ফ্রম হেল; উপন্যাস আই অ্যাম পিলগ্রিম (২০১৩), দ্য ইয়ার অব দ্য লোকাস্ট (২০২৩)
পুরস্কার AACTA শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার (দু’বার); ব্রাম স্টোকার পুরস্কার মনোনয়ন (২০০১)

পরিচিতি

টেরি হেইস (জন্ম ৮ অক্টোবর ১৯৫১) ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলীয় চিত্রনাট্যকার, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ঔপন্যাসিক। সাংবাদিক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করে তিনি চলচ্চিত্র-লেখায় আসেন এবং কেনেডি মিলার প্রযোজনা সংস্থার ঘরানার লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান। জর্জ মিলারের সঙ্গে যৌথভাবে লেখা ম্যাড ম্যাক্স ২ (১৯৮১) তার প্রথম বিখ্যাত কাজ। পরে হলিউডের বড় বাজেটের ছবিতে চিত্রনাট্যকার হিসেবে কাজ করেন। জীবনের দেরিতে উপন্যাস-লেখায় এসে তার প্রথম উপন্যাস আই অ্যাম পিলগ্রিম (২০১৩) দিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন।

জন্ম ও সাংবাদিকতা

১৯৫১ সালের ৮ অক্টোবর ইংল্যান্ডের সাসেক্সে টেরি হেইসের জন্ম। পাঁচ বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় চলে যান। অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি; একুশ বছর বয়সে তিনি পত্রিকাটির উত্তর আমেরিকা প্রতিনিধি হিসেবে নিউইয়র্কে নিযুক্ত হন। দুই বছর পর সিডনিতে ফিরে তিনি অনুসন্ধানী প্রতিবেদক, রাজনৈতিক প্রতিনিধি ও কলামিস্ট হিসেবে কাজ করেন এবং একটি খ্যাতিমান কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স রেডিও অনুষ্ঠান প্রযোজনা করেন।

চিত্রনাট্যকার জীবন

ম্যাড ম্যাক্স (১৯৭৯) ছবির চিত্রনাট্যের উপন্যাসায়ন করতে গিয়ে হেইসের সঙ্গে পরিচালক জর্জ মিলারের পরিচয় হয়। তাদের ভালো বোঝাপড়া হয় এবং মিলার তাকে ম্যাড ম্যাক্স ২ (১৯৮১)-এর চিত্রনাট্যে সহযোগী হিসেবে নিয়োগ করেন। এরপর হেইস কেনেডি মিলার প্রযোজনা সংস্থার ঘরানার লেখক (ইন-হাউস রাইটার) হন এবং সংস্থার পরবর্তী সব মিনি-সিরিজের চিত্রনাট্যে কাজ করেন। উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে আছে ডেড ক্যাম (১৯৮৯) — নিকোল কিডম্যানের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সূচনা করা ছবিটি তিনি লেখার পাশাপাশি সহ-প্রযোজনাও করেন — ম্যাড ম্যাক্স বিয়ন্ড থান্ডারডোম, ব্যাংকক হিলটন ও বডিলাইন মিনি-সিরিজ। কেনেডি মিলারের সঙ্গে তিনি দু’বার AACTA শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার পান — দ্য ইয়ার মাই ভয়েস ব্রোক (১৯৮৭) ও ফ্লার্টিং (১৯৯১)-এর জন্য।

পরে হলিউডে চলে যান হেইস। সেখানে তার চিত্রনাট্যের মধ্যে আছে পেব্যাক (মেল গিবসন), ফ্রম হেল (জনি ডেপ অভিনীত) — যার জন্য ২০০১ সালে তিনি শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্য বিভাগে ব্রাম স্টোকার পুরস্কারের মনোনয়ন পান — এবং ভার্টিক্যাল লিমিট। ১৯৯৪ সালে প্ল্যানেট অব দ্য এপস-এর জন্য তিনি রিটার্ন অব দ্য এপস নামে একটি অব্যবহৃত চিত্রনাট্যও লিখেছিলেন।

ঔপন্যাসিক জীবন

২০১৩ সালের ১৮ জুলাই ট্রান্সওয়ার্ল্ড পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত হয় হেইসের প্রথম উপন্যাস আই অ্যাম পিলগ্রিম — একটি গুপ্তচর-থ্রিলার। প্রকাশের মাসেই মেট্রো-গোল্ডউইন-মেয়ার উপন্যাসটির চলচ্চিত্র-স্বত্ব কিনে নেয় এবং হেইসকেই চিত্রনাট্য রূপান্তরের দায়িত্ব দেয়। বইটি আন্তর্জাতিক বেস্টসেলারে পরিণত হয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তার দ্বিতীয় উপন্যাস দ্য ইয়ার অব দ্য লোকাস্ট ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর প্রকাশিত হয়। ২০২৪ সালে জানা যায়, তিনি ও ব্রিটিশ লেখক ট্যামি কোহেন যৌথভাবে ‘এলি কনওয়ে’ ছদ্মনামে আরগাইল ছবির টাই-ইন উপন্যাসটি লিখেছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবন

তার স্ত্রী ক্রিস্টেন এবং চার সন্তান রয়েছে। (বাসস্থান সম্পর্কে সূত্রগুলোর মধ্যে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায় — কোথাও সুইজারল্যান্ড, কোথাও সিডনি উল্লেখিত — তাই এখানে উল্লেখ করা হলো না।)

বাংলা সাহিত্যের সঙ্গে থাকুন

নতুন বই, কবিতা ও লেখক আপডেট পেতে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন।