আহমাদ রায়েফ মিশর
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
এক নজরে
| নাম | আহমাদ রায়েফ মিশর |
|---|---|
| ইংরেজি নাম | Ahmed Raef |
| জন্ম | ১ আগস্ট ১৯৪০, মিশর (শহর অজ্ঞাত) |
| মৃত্যু | ২৭ জানুয়ারি ২০১১ |
| জাতীয়তা | মিশরীয় |
| পেশা | লেখক ও ইসলামি চিন্তাবিদ |
| ধরন | প্রাবন্ধিক |
পরিচিতি
আহমাদ রায়েফ (আরবি: أحمد رائف; ১৯৪০–২০১১) ছিলেন মিশরীয় লেখক ও ইসলামি চিন্তাবিদ। কারাজীবনের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে লেখা তাঁর আল-বাওয়াবাতুস সাওদা (البوابة السوداء, ‘কালো দরজা’) আরবি কারাগার-সাহিত্যের একটি পরিচিত গ্রন্থ হিসেবে গণ্য হয়। এলসিনেমার পরিচিতি অনুযায়ী তিনি আরব-বিষয়ক কৌশলবিদ হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।
জন্ম ও প্রাথমিক জীবন
১৯৪০ সালের ১ আগস্ট মিশরে জন্মগ্রহণ করেন। জন্মস্থানের শহর, পারিবারিক পটভূমি ও শিক্ষাজীবনের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্য সূত্রে পাওয়া যায়নি।
কর্মজীবন
রায়েফ ইখওয়ানুল মুসলিমিন (মুসলিম ব্রাদারহুড) আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন — এই তথ্য মিশরীয় চলচ্চিত্র-ডাটাবেস এলসিনেমায় তাঁর পরিচিতিতে উল্লেখিত আছে। ১৯৬০-এর দশকে জামাল আবদুন নাসের শাসনামলের কারাগারগুলোতে তিনি বন্দী ছিলেন; সেই অভিজ্ঞতাই তাঁর প্রধান সাহিত্যকর্মের ভিত্তি। লেখালেখির পাশাপাশি তিনি টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যকার হিসেবেও কাজ করেন — তাঁর রচিত চিত্রনাট্যের মধ্যে রয়েছে রুহবানুস সাহরা (মরুভূমির সন্ন্যাসীরা), আত-তারিক ইলাল কুদস (জেরুসালেমের পথে), জামালুদ্দিন আল-আফগানি, কালআতুল জাওহারা ও বি’সাতুশ শুহাদা (শহীদদের প্রতিনিধিদল)। এখানে উল্লেখিত তথ্যগুলো তথ্যভিত্তিক পরিচিতি হিসেবেই দেওয়া হলো।
সাহিত্যজীবন
তাঁর সবচেয়ে পরিচিত গ্রন্থ আল-বাওয়াবাতুস সাওদা (البوابة السوداء; প্রথম প্রকাশ ১৯৮৬) — ১৯৬০-এর দশকে মিশরের কারাগারগুলোতে বন্দীদের ওপর নির্যাতনের প্রত্যক্ষদর্শী-বর্ণনা, যা আরবি কারাগার-সাহিত্যের (prison literature) ধারায় লেখা। অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে সারাদিবুশ শাইতান: সাফাহাত মিন তারিখিল ইখওয়ানিল মুসলিমিন (سراديب الشيطان, ‘শয়তানের অন্ধকার গলি’; ১৯৮৯), সাফাহাত মিন তারিখিল ইখওয়ান (صفحات من تاريخ الإخوان), মুজরিমুল হারব আত-তিকরিতি (مجرم الحرب التكريتي; ১৯৯১) এবং নাটক আল-বু’দুল খামিস (البعد الخامس, ‘পঞ্চম মাত্রা’; ১৯৮৭)। ১৯৮৪ সালে জামালুদ্দিন আফগানিকে নিয়ে নির্মিত টেলিভিশন ধারাবাহিকের চিত্রনাট্যও তিনি রচনা করেন; ধারাবাহিকটিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেন মাহমুদ ইয়াসিন।
মৃত্যু ও উত্তরাধিকার
২০১১ সালের ২৭ জানুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আরবি কারাগার-সাহিত্যের ধারায় তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য হিসেবে স্মরণ করা হয়; তাঁর গ্রন্থগুলো মিশরের আধুনিক ইতিহাসের একটি বিতর্কিত অধ্যায়ের প্রত্যক্ষদর্শী-দলিল হিসেবে পাঠ করা হয়।
তথ্য-সীমাবদ্ধতা
জন্মস্থানের শহর, পারিবারিক জীবন, শিক্ষাজীবন ও পুরস্কার সম্পর্কে যাচাইযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। গ্রন্থ-তালিকা অনলাইন লাইব্রেরি-ক্যাটালগভিত্তিক।