তাবারক হোসেন
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
এক নজরে
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| পূর্ণ নাম | উইং কমান্ডার (অব.) ড. তাবারক হোসেন ভূঁঞা, পিএসসি |
| ইংরেজি রূপ | Tabarak Hossain |
| জন্ম | ৩১ অক্টোবর ১৯৬২ |
| জন্মস্থান | মুড়াপাড়া, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশি |
| পেশা | ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, অধ্যাপক, প্রাক্তন বিমান বাহিনী কর্মকর্তা |
| শিক্ষা | এমবিএ (নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, সর্বোচ্চ সিজিপিএ ৪.০/৪.০ — চ্যান্সেলরস স্বর্ণপদক); এমএসএস (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) ও এলএলবি (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়); এমফিল ও পিএইচডি (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ); গ্লোবাল প্রফেশনাল এলএলএম (টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়, কানাডা) |
| উল্লেখযোগ্য রচনা | শ্বেতপদ্ম, ব্রেসলেট, অণু, একরাত্রি, নিষ্পত্তি, মোটিভেশন প্রতিদিন, বিজিতা |
পরিচয়-সংক্রান্ত নোট
“তাবারক হোসেন” নামে একাধিক পরিচিত ব্যক্তি রয়েছেন — যেমন সাবেক কূটনীতিবিদ ও পররাষ্ট্রসচিব তবারক হুসাইন (১৯২৪–২০১৮)। এখানকার লেখক তাবারক হোসেন (উইং কমান্ডার, ড., পিএসসি) তাদের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যক্তি; নিচের সমস্ত তথ্য কেবল এই লেখকের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
পরিচিতি
উইং কমান্ডার (অবসরপ্রাপ্ত) ড. তাবারক হোসেন ভূঁঞা, পিএসসি বাংলাদেশের একজন ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার ও অধ্যাপক। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি লেখালেখি ও অধ্যাপনায় মনোনিবেশ করেন। উপন্যাস, গল্প, চিত্রনাট্য ও মোটিভেশনাল রচনা — একাধিক মাধ্যমেই তিনি সক্রিয়; তার লেখা বেশ কয়েকটি নাটক বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হয়ে দর্শকপ্রিয়তা লাভ করেছে।
জন্ম ও শিক্ষা
১৯৬২ সালের ৩১ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়ায় তাবারক হোসেনের জন্ম। ১৯৮৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর তিনি বিমান বাহিনী একাডেমি থেকে শ্রেষ্ঠ ক্যাডেট হিসেবে কমান্ড্যান্টস ট্রফি অর্জনপূর্বক কমিশন লাভ করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি একাধিক উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন: নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ সিজিপিএ (৪.০-এর মধ্যে ৪.০) পেয়ে এমবিএ ও চ্যান্সেলরস স্বর্ণপদক; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএসএস ও এলএলবি; একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ থেকে এমফিল ও পিএইচডি; কানাডার ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কন্ট্রাক্ট ল কোর্স এবং টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্লোবাল প্রফেশনাল এলএলএম ও ইন্টারন্যাশনালি ট্রেইনড লইয়ার্স প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেন। ব্যারিস্টার ও সলিসিটর হিসেবে ল প্র্যাকটিসের জন্য তিনি কানাডার ফেডারেশন অব ল সোসাইটিজের ন্যাশনাল কমিটি অন অ্যাক্রেডিটেশন থেকে যোগ্যতা সনদ লাভ করেন। তিনি ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, মিরপুরের একজন গ্রাজুয়েট।
কর্মজীবন
বিমান বাহিনীতে দীর্ঘ চাকরিজীবন শেষে ২০০৫ সালে তিনি উইং কমান্ডার পদে অবসর গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্সের একজন খণ্ডকালীন অধ্যাপক; এছাড়া ইস্ট ওয়েস্ট, ব্র্যাক, সাউথইস্ট ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ প্রোগ্রামে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেছেন।
সাহিত্যজীবন
তার লেখালেখির ঝুলিতে মোট সাতটি গ্রন্থ রয়েছে: শ্বেতপদ্ম, ব্রেসলেট (অন্যপ্রকাশ, ২০১৭), অণু, একরাত্রি, নিষ্পত্তি, মোটিভেশন প্রতিদিন ও বিজিতা — যার মধ্যে বিজিতা তার সপ্তম গ্রন্থ হিসেবে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবসর প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রকাশিত হয়। শ্বেতপদ্ম-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান ২০১৬ সালে বাংলা একাডেমির শামসুর রাহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। তার লেখা নাটকগুলো বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে।
ব্যক্তিগত জীবন
পারিবারিক জীবনের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে যাচাইযোগ্য সূত্রে পাওয়া যায়নি, তাই এখানে সেগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
বর্তমান অবস্থা ও উত্তরাধিকার
সামরিক ও আইন-শিক্ষার পেশাজীবন থেকে সাহিত্য ও অধ্যাপনার জগতে সফল রূপান্তরের উদাহরণ হিসেবে তাবারক হোসেনের জীবন উল্লেখযোগ্য — একইসঙ্গে তিনি একজন প্রাক্তন বিমান বাহিনী কর্মকর্তা, ডক্টরেটধারী শিক্ষাবিদ ও টেলিভিশন-নাট্যকার।