তারিক মেহেন্না
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
এক নজরে
| নাম | তারিক মেহেন্না (Tarek Mehanna) |
|---|---|
| জন্ম | ১৯৮২, পেনসিলভেনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র (নির্দিষ্ট জন্মতারিখ যাচাইযোগ্য সূত্রে পাওয়া যায়নি) |
| জাতীয়তা | আমেরিকান |
| পেশা | ফার্মাসিস্ট |
| শিক্ষা | ম্যাসাচুসেটস কলেজ অব ফার্মেসি থেকে স্নাতক |
| প্রকাশিত লেখা | অনলাইন অনুবাদ; ফেডারেল আদালতের সেন্টেন্সিং বক্তব্য (এপ্রিল ২০১২, পাবলিক রেকর্ড) |
| আইনি অবস্থা | ২০২৪ সালের আগস্টে কারামুক্ত |
পরিচিতি — লেখক-সত্তা সম্পর্কে স্পষ্টীকরণ
তারিক মেহেন্না পেশায় ফার্মাসিস্ট; তিনি মূলত কোনো লেখক বা ঔপন্যাসিক নন। এই প্রোফাইলে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কারণ তাঁর নামে কিছু প্রকাশিত লেখা রয়েছে: অনলাইনে পোস্ট করা আরবি-থেকে-ইংরেজি অনুবাদসমূহ এবং ২০১২ সালের এপ্রিলে ফেডারেল আদালতে তাঁর সেন্টেন্সিং শুনানিতে দেওয়া বক্তব্য (যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের রেকর্ড হিসেবে পাবলিক ডোমেইনে রয়েছে এবং উইকিসোর্সে সংরক্ষিত)। নিচের তথ্যগুলো শুধুমাত্র যাচাইযোগ্য পাবলিক রেকর্ডের ঘটনা, নিরপেক্ষভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
জন্ম ও শিক্ষা
মেহেন্নার জন্ম ১৯৮২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায়। তাঁর বাবা-মা ১৯৮০ সালে মিশর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হন। তিনি বোস্টনের কাছের ম্যাসাচুসেটসের সাডবেরি শহরে বড় হন এবং ম্যাসাচুসেটস কলেজ অব ফার্মেসি থেকে ফার্মেসিতে স্নাতক হন। তাঁর পিতা একই কলেজের অধ্যাপক ছিলেন।
কর্মজীবন
পেশাগতভাবে মেহেন্না ফার্মাসিস্ট হিসেবে কাজ করতেন। একই সময়ে তিনি আরবি নথিপত্র ইংরেজিতে অনুবাদ করে অনলাইনে পোস্ট করতেন, যেগুলোকে রাষ্ট্রপক্ষ ‘আল-কায়েদা প্রোপাগান্ডা’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল। তাঁর আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে এই অনলাইন কর্মকাণ্ড মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনী (বাকস্বাধীনতা) দ্বারা সুরক্ষিত ছিল।
আইনি মামলা
২০০৯ সালের ২১ অক্টোবর তিনি গ্রেপ্তার হন। বোস্টনের ফেডারেল আদালতে দীর্ঘ বিচার শেষে ২০১১ সালের ২০ ডিসেম্বর জুরি তাঁকে সব অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে: আল-কায়েদাকে বস্তুগত সহায়তা দেওয়ার ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাসীদের বস্তুগত সহায়তা দেওয়া বা দেওয়ার চেষ্টা, বিদেশে হত্যার ষড়যন্ত্র, এবং এফবিআই-কে মিথ্যা বিবৃতি দেওয়ার ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা বিবৃতি। ২০১২ সালের ১২ এপ্রিল ফেডারেল বিচারক জর্জ ও’টুল তাঁকে ১৭.৫ বছরের (২১০ মাস) কারাদণ্ড দেন; রাষ্ট্রপক্ষ ২৫ বছরের দাবি করেছিল, যা বিচারক প্রত্যাখ্যান করেন। ২০১৩ সালের ১৩ নভেম্বর প্রথম সার্কিট আপিল আদালত দণ্ডাদেশ বহাল রাখে (United States v. Mehanna, 735 F.3d 32)। রাষ্ট্রপক্ষের মামলায় বলা হয়, ২০০৪ সালে মেহেন্না দুই সপ্তাহ ইয়েমেনে কাটান, যেখানে তিনি একটি জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিলেন। তিনি কলোরাডোর এডিএক্স ফ্লোরেন্স কারাগারে বন্দি ছিলেন এবং ২০২৪ সালের ২০ আগস্ট মুক্তি পান।
রচনাবলি
তাঁর নামে প্রকাশিত লেখার মধ্যে রয়েছে অনলাইনে পোস্ট করা আরবি নথির ইংরেজি অনুবাদ এবং ২০১২ সালের এপ্রিলে ফেডারেল আদালতে দেওয়া সেন্টেন্সিং বক্তব্য — পরেরটি মার্কিন ফেডারেল সরকারের কাজ হিসেবে পাবলিক ডোমেইনে রয়েছে। এগুলোর বাইরে তাঁর কোনো স্বতন্ত্র গ্রন্থ বা সাহিত্যকর্মের যাচাইযোগ্য রেকর্ড পাওয়া যায়নি।
বর্তমান অবস্থা
২০২৪ সালের ২০ আগস্ট কারামুক্তির পর তিনি জীবিত আছেন বলে জানা যায়। তাঁর পরবর্তী জীবন সম্পর্কে ব্যাপকভাবে প্রতিবেদিত তথ্য পাওয়া যায়নি।