মুহসিন আল জাবির
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
এক নজরে
| বিষয় | তথ্য |
| পূর্ণ নাম | মুহসিন আল জাবির |
| জন্ম | ১৯ আগস্ট ১৯৮৯ |
| জন্মস্থান | হাতিয়া, নোয়াখালী |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশি |
| পেশা | লেখক, গবেষক, সাংবাদিক |
| শিক্ষা | হিফজুল কোরআন, দাওরায়ে হাদিস, ইফতা; সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা (২০০৮) |
| উল্লেখযোগ্য কর্ম | কলমচর্চা (২০০৯), ধর্মের জয়গান (২০০৯), কালের সেরা ভাষণ (২০১০), দরসে তিরমিজি (৮ খণ্ড, ২০১৩–২০১৮), শরহে মুসলিম (৭ খণ্ড, ২০১৯), আত-তাশরিহুল হাবি শরহে ত্বহাবি (২০১৯) |
পরিচিতি
মুহসিন আল জাবির (জন্ম ১৯ আগস্ট ১৯৮৯) বাংলাদেশের কওমি অঙ্গনের একজন আলেম, হাদিস-গবেষক, অনুবাদক ও সাংবাদিক। বাংলা ভাষায় হাদিসের ব্যাখ্যাগ্রন্থ (শরাহ) রচনা ও অনুবাদের জন্য তিনি পরিচিত; রচিত, অনূদিত ও সম্পাদিত মিলিয়ে তার ৫০টিরও বেশি বই বাজারে রয়েছে। ২০১১ সাল থেকে তিনি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্স গবেষক হিসেবে বিভিন্ন গবেষণা-প্রবন্ধ ও বিশ্বকোষ প্রকল্পে কাজ করে আসছেন।
জন্ম ও শৈশব
১৯৮৯ সালের ১৯ আগস্ট নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার একটি অভিজাত পরিবারে মুহসিন আল জাবিরের জন্ম। যে পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন, সেখানে ইসলামি শিক্ষাকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হতো না; তবে তার নানা ছিলেন বিখ্যাত আলেম মৌলবি সুলতান এবং মা ছিলেন কোরআনের হাফেজ। মায়ের কাছেই তিনি কোরআনসহ প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরে বাবার নির্দেশে স্কুলে সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। (প্রকাশক-প্রদত্ত জীবনী অনুযায়ী।)
শিক্ষাজীবন
ইসলামি শিক্ষার প্রতি তীব্র আকর্ষণ থেকে একদিন পরিবারের কাউকে না জানিয়ে এলাকার এক আলেমের সঙ্গে তিনি মুন্সিগঞ্জে চলে যান; সেখানে কোলাপাড়ার একটি কওমি মাদরাসায় পড়াশোনা শুরু করেন। মাওলানা পড়ার মাঝামাঝি সময়ে তিনি কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করেন। পর্যায়ক্রমে হিফজ, দাওরা (মাওলানা) ও ইফতা (মুফতি) শেষ করেন। আরবি ভাষা ও ইসলামি শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়েও পড়াশোনা ও গবেষণা শুরু করেন। ২০০৮ সালে সাংবাদিকতায় “রিপোর্টিং ও ফিচার লিখন প্রশিক্ষণ” ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন।
কর্মজীবন
২০১১ সাল থেকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সার গবেষক হিসেবে নিয়োজিত থেকে তিনি বিভিন্ন গবেষণা-প্রবন্ধ ও বিশ্বকোষ প্রকল্পে কাজ করে যাচ্ছেন। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কলাম ও প্রবন্ধ লিখে আসছেন; প্রকাশক-জীবনী অনুযায়ী তিনি দৈনিক যুগান্তরে রিপোর্টার পদেও কর্মরত ছিলেন।
সাহিত্যজীবন
২০০৯ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক সংকলন কলমচর্চা প্রকাশের মধ্য দিয়ে তার গ্রন্থ-জীবন শুরু; পরের বছর ২০১০ সালে প্রকাশিত হয় ঐতিহাসিক সংকলন কালের সেরা ভাষণ। এছাড়া ধর্মের জয়গান (২০০৯) ও আত্ম-উন্নয়নমূলক লাইফ কোচিং তার উল্লেখযোগ্য বই। তবে তার প্রধান পরিচয় হাদিস-শরাহ রচয়িতা হিসেবে: দরসে তিরমিজি (অনুবাদ ৪ খণ্ড + মৌলিক ৪ খণ্ড, ২০১৩–২০১৮), আল-কালামুল মাহমুদ ফি হল্লি সুনানে আবি দাউদ (৭ খণ্ড, ২০১৭), শরহে ইবনে মাজাহ (২০১৮), তাকরিরে মুয়াত্তা মালিক ও তাকরিরে মুয়াত্তা মুহাম্মাদ (২০১৮), শরহে মুসলিম (৭ খণ্ড, ২০১৯) এবং আত-তাশরিহুল হাবি শরহে ত্বহাবি (২০১৯)। সব মিলিয়ে ছোট-বড় ৫০টিরও বেশি বই তার প্রকাশিত হয়েছে।
তথ্য-সীমাবদ্ধতা
এই জীবনীটি মূলত প্রকাশক-প্রদত্ত (রকমারি/বইঘর) লেখক-জীবনীর ভিত্তিতে সংকলিত; স্বতন্ত্র সংবাদ-সূত্রে যাচাইকৃত তথ্য সীমিত।