মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
এক নজরে
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| পূর্ণ নাম | মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ (Shaykh Mirza Yawar Baig) |
| জন্ম | যাচাইকৃত তথ্য পাওয়া যায়নি |
| জাতীয়তা | ভারতীয় (২০১৯ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস) |
| পেশা | লেখক, আন্তর্জাতিক বক্তা, কর্পোরেট পরামর্শক, লাইফ কোচ |
| প্রতিষ্ঠান | ইয়াওয়ার বেইগ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস (প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি, ১৯৯৪); মাহমুদ হাবিব মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার, হায়দ্রাবাদ (প্রতিষ্ঠাতা ইমাম ও খতিব, ২০০৯–২০১৯) |
| উল্লেখযোগ্য কর্ম | লিডারশিপ লেসন্স ফ্রম দ্য লাইফ অব রাসূলুল্লাহ, দ্য বিজনেস অব ফ্যামিলি বিজনেস, হায়ারিং উইনার্স, জার্নি অব ফেইথ, অ্যান এন্টারপ্রেনার’স ডায়েরি, জুমার খুতবার পাঁচ খণ্ড |
| গ্রন্থ সংখ্যা | প্রায় ৪০টি (যাচাইকৃত দাবি: তার নিজস্ব জীবনী-সূত্র অনুযায়ী) |
পরিচিতি
মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ ভারতের একজন আন্তর্জাতিক বক্তা, লাইফ কোচ, কর্পোরেট পরামর্শক ও লেখক। তার প্রধান কাজ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণ নেতাদের শিক্ষাদান ও পরামর্শ দেওয়া। ১৯৯৪ সালে তিনি ‘ইয়াওয়ার বেইগ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’ প্রতিষ্ঠা করেন, যা নেতৃত্ব-বিকাশ (লিডারশিপ ডেভেলপমেন্ট) বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকে — বিশেষ করে কারিগরি বিশেষজ্ঞদের নেতৃত্বের ভূমিকায় উত্তরণে সহায়তা করা এর কাজ। তার পরামর্শক-জীবনে তিনি জিই, মাইক্রোসফট, মোটরোলা, ইউনিলিভার, সিমেন্স, অ্যাকসেঞ্চার, জেপি মরগান, রয়টার্স, জনসন অ্যান্ড জনসন, ভেরাইজন, মার্স-এর মতো বহুজাতিক কোম্পানির সঙ্গে কাজ করেছেন বলে উল্লেখ আছে।
শিক্ষা ও ধর্মীয় পরিচয়
হায়দ্রাবাদের জামিয়া ইলাহিয়্যাত নূরিয়ায় তিনি প্রাথমিক ইসলামি শিক্ষা লাভ করেন; পরে সৌদি আরব, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের উলামা ও শায়খদের কাছে পড়াশোনা করেন। ১৯৬৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিনি হযরত নূরিশা চিশতী কাদরী (মৃ. ১৯৮৫)-এর বিশেষ ছাত্র ছিলেন এবং ১৯৯৭–৯৯ সালে শায়খ উইসাম আবদেল বাকীর কাছে পড়েন। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রফেসর শায়খ সালমান নদভীর আধ্যাত্মিক তত্ত্বাবধানে তিনি আছেন বলে উল্লেখ রয়েছে। ২০০৯ সালে তিনি হায়দ্রাবাদে মাহমুদ হাবিব মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন এবং ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়া পর্যন্ত সেখানে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পাঁচটি ভাষায় কথা বলতে পারেন এবং ইংরেজিতে ইসলাম বিষয়ে বক্তব্য দেন — বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছানোর জন্য।
গ্রন্থাবলি
তার নিজস্ব জীবনী-সূত্র অনুযায়ী ইসলাম, নেতৃত্ব, বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ, শিক্ষা ও তার উক্তি-সংকলন বিষয়ে তার প্রায় ৪০টি বই প্রকাশিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে আছে:
- লিডারশিপ লেসন্স ফ্রম দ্য লাইফ অব রাসূলুল্লাহ — এই বইটি ইসলামিক অনলাইন ইউনিভার্সিটির একটি ডিপ্লোমা কোর্সের পাঠ্য-ভিত্তি
- দ্য বিজনেস অব ফ্যামিলি বিজনেস — পারিবারিক ব্যবসায় পরামর্শ নিয়ে
- হায়ারিং উইনার্স
- জার্নি অব ফেইথ
- অ্যান এন্টারপ্রেনার’স ডায়েরি
- জুমার খুতবার পাঁচটি খণ্ড — দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও রাশিয়ায় ইমাম-উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়
তিনি স্ট্যান্ডার্ড বিয়ারার্স ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও স্ট্যান্ডার্ড বিয়ারার্স অ্যাকাডেমির পরামর্শক। সৌদি আরবের হজ মন্ত্রণালয় (২০০৮), কুয়েতের আওকাফ মন্ত্রণালয় (২০১০ থেকে), ওমানের সুলতান কাবুসের রাজকীয় দরবার (২০১৪) ও কাতারের আল ফানার (২০১৬)-এর আমন্ত্রণে তিনি বক্তব্য দিয়েছেন বলে উল্লেখ রয়েছে।
তথ্য-সীমাবদ্ধতা
এই প্রোফাইলের তথ্য মূলত তার নিজস্ব ওয়েবসাইট ও প্রতিষ্ঠানের জীবনী-পাতা থেকে সংগৃহীত; স্বতন্ত্র সংবাদ-মাধ্যমে তার জন্মতারিখ, জন্মস্থান বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতার বিস্তারিত তথ্য যাচাই করা যায়নি। তাই সেসব ঘরে শূন্য/অজানা রাখা হয়েছে।