একটা মেয়ে যে কিনা অন্ধকার থেকে আলোর পথে আসতে চাচ্ছে এই বইটা তাকে আলোর পথে আসতে দৃঢ় মনোবল জোগাবে।
মুলত নাস্তিক্যবাদ এর বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মের তীব্র প্রতিবাদের বিষয়টি ব্যাখা করা হয়েছে।
মুল চরিত্রে আছে ফৌহি নামের একজন মেয়ে যে কিনা একজন ডিজে পার্টি করে বেড়ানো, যার মনে মস্তিষ্কে ইসলামের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা,যে একজন নারীবাদী, নারীমুক্তির জন্য যিনি সভা সমাবেশ করেন।
ফৌহির বাবাও একজন নাস্তিক।
মুলত তিনিই তার মেয়েকে নাস্তিক্যবাদ শিখিয়েছেন। নাস্তিকতা প্রচারের জন্য নিজের মেয়েকেই লিডার বানিয়েছেন।
বইটির শুরুতে ঢাকার শাপলা চত্বরে নাস্তিকদের সভা করতে দেখা যায়। তারা শহরের জায়গায় জায়গায় নারী পুরুষের অবাদ মেলামেশাকে ছড়িয়ে দিতে চায়।
পরেরদিন এর প্রতিবাদে শাপলা চত্বরে হেফাজত কর্মীদের মানববন্ধন করতে দেখা যায়।বেশ কিছুদিন ধরে তারা ১৩ দফা দাবি নিয়ে সেখানে অবস্থান করে।।শেষে নাস্তিকরা এবং উপরের মহলের লোকেরা পুলিশ বাহিনী দিয়ে তাদের উপর গুলি আর লাঠি চার্জ করে।
বিভিন্ন জায়গা থেকে হেফাজত কর্মীরা আসতে থাকে।
অইদিন রাতেই ফৌহির সাথে দেখা হয় মাকরিম নামে একজন হেফাজত কর্মীর যে কিনা ফৌহির জন্য আলোর পথ বাতলিয়ে দেয়।
যেখানে সব পুরুষ ফৌহির জন্য পাগল সেখানে মাকরিমের তার দিকে না তাকানো এবং ইসলামে নারীদের সম্মানের কথা তুলে ধরায় ফৌহির মন নাড়া দিয়ে উঠে।
আযানের সময় হয়ে যাওয়ায় মাকরিম সেখান থেকে চলে যায়।
মাকরিমের নাম্বার চেয়েও ফৌহি পায়না।
সেদিন থেকে ফৌহি মাকরিমকে খুঁজে বেড়ায়।মাকরিম এর প্রতি তার ভালোলাগা তৈরি হয়ে যায়।
মাকরিমের সূত্র ধরে ফৌহি ইসলাম সম্পর্কে জানতে শুরু করে।
হেফাজত কর্মীদের প্রতি তার ভালোবাসা বেড়ে যায়।
সে দিনের পর দিন আলোর পথে আসতে থাকে।
সে একটা রেডিও এফএম থারটিন চালু করে যেখানে বিভিন্ন হেফাজত গল্প শেয়ার করা হয়। যারা অন্ধকার থেকে আলোর পথে এসেছে।।যাদেরকে আল্লাহ নিজ হাতে হেদায়াত দান করেছেন।
এই গল্পগুলোই নিজের মনোবলকে বাড়িয়ে দেয়।।
এই কয়েকটি গল্প পড়ে আপনাআপনি আপনার চোখ থেকে জল গড়িয়ে পরবে।।নিজের ভিতর অনুতাপ হবে আপনার করা পাপের জন্য। নিজেকে আরও চেঞ্জ করতে ইচ্ছা হবে।ইসলামের আলোয় নিজেকে আলোকিত করতে ইচ্ছা হবে।।নিজের ঈমানের দূর্বলতা বুজতে পারবেন।
এককথায় ফৌহি আর মাকরিমের মধ্যদিয়ে ইসলামের পথে ফিরে আসার যে মানসিক শান্তি আর আল্লাহর রহমত পাওয়া যায় চমৎকারভাবে তা তুলে ধরা হয়েছে।
বইটি পড়ার জন্য অনুরোধ রইলো সবাইকে।
ধন্যবাদ “কাঠের পুতুল” যার কাছ থেকে বইটি হাদিয়া পেয়েছি।
বইপাও থেকে আপনি আর কি কি কন্টেন্ট পেতে চান?
