মূল কন্টেন্টে যান

খোয়াবনামা — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রিভিউ

October 5, 2026 · Rakibul Hasan · ব্লগ

বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এমন কিছু বই আছে যেগুলো শুধু গল্প বলে না, বরং একটি জাতির স্মৃতি, স্বপ্ন আর বেদনার দলিল হয়ে ওঠে। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের খোয়াবনামা ঠিক তেমনই একটি উপন্যাস। ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাস বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। দেশভাগের প্রাক্কালের গ্রামবাংলা, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার বিভীষিকা, জমিদারি শোষণ আর সাধারণ মানুষের স্বপ্ন — সব মিলিয়ে খোয়াবনামা হয়ে উঠেছে একটি মহাকাব্যিক আখ্যান।

যারা বাংলা সাহিত্যের গভীরে ডুব দিতে চান, যারা ইতিহাসকে শুধু তারিখ আর ঘটনার তালিকা হিসেবে নয়, মানুষের রক্ত-মাংসের জীবন হিসেবে দেখতে চান — তাদের জন্য খোয়াবনামা অবশ্যপাঠ্য। এই রিভিউতে আমরা উপন্যাসটির কাহিনি, শিল্পরূপ ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করব, তবে শেষাংশের চমক নষ্ট না করেই।

লেখক পরিচিতি: আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩–১৯৯৭) বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী। গাইবান্ধায় জন্ম নেওয়া এই লেখক তার সংক্ষিপ্ত জীবনে মাত্র দুটি উপন্যাস রেখে গেছেন — চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৭) ও খোয়াবনামা (১৯৯৬)। কিন্তু এই দুটি বই-ই তাকে বাংলা সাহিত্যের চিরস্থায়ী আসনে বসিয়েছে। পাশাপাশি তার গল্পগ্রন্থগুলো — অন্য ঘরে অন্য স্বর, খোঁয়ারি, দুধে ভাতে উৎপাত, দোজখের ওম — বাংলা ছোটগল্পের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।

ইলিয়াসের লেখার বিশেষত্ব হলো ইতিহাসের প্রতি তার নির্মোহ দৃষ্টি। তিনি ইতিহাসকে বিজয়ীদের বয়ান হিসেবে নয়, পরাজিত ও নিপীড়িত মানুষের চোখে দেখেছেন। খোয়াবনামা তার এই দৃষ্টিভঙ্গির সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রকাশ।

কাহিনির পটভূমি: দেশভাগের দ্বারপ্রান্তে গ্রামবাংলা

উপন্যাসের ঘটনাস্থল উত্তরবঙ্গের একটি গ্রাম — জেলেপাড়া-সংলগ্ন জনপদ, যেখানে হিন্দু-মুসলমান পাশাপাশি বাস করে। সময়টা ১৯৪০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে শেষভাগ — দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর অস্থিরতা, তেভাগা আন্দোলনের ঢেউ, পাকিস্তান আন্দোলনের উন্মাদনা আর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কালো ছায়া।

কেন্দ্রীয় চরিত্র তমিজের বাপ — তমিজুদ্দিন, একজন দরিদ্র কৃষক। জমিদারের শোষণ, মহাজনের ঋণের ফাঁদ আর প্রকৃতির খামখেয়ালির মধ্যে তার জীবন কাটে। তার স্ত্রী কুলসুম বেওয়া — সংসারের ঘানি টানা এক নারী, যার স্বপ্নগুলো উপন্যাসের শিরোনামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আর আছেন মুনসুর বয়াতি — গ্রামের গায়েন, যার গান আর বয়ানে উঠে আসে জনপদের সুখ-দুঃখের ইতিহাস।

উপন্যাস শুরু হয় স্বপ্ন দিয়ে। কুলসুমের দেখা স্বপ্ন, তমিজের বাপের দেখা স্বপ্ন — এই স্বপ্নগুলো শুধু ব্যক্তিগত অবচেতনের প্রতিফলন নয়, বরং আসন্ন বিপর্যয়ের পূর্বাভাস। ধীরে ধীরে গ্রামের শান্ত জীবনে ঢুকে পড়ে বাইরের রাজনীতি — পাকিস্তানের দাবি, হিন্দু-মুসলমানের বিভাজন, দাঙ্গার গুজব। যারা যুগ যুগ ধরে প্রতিবেশী ছিল, তারাই একদিন পরস্পরের শত্রু হয়ে ওঠে।

গল্পের শেষাংশে কী ঘটে তা আমরা বলব না — পাঠক নিজে আবিষ্কার করুক। তবে এটুকু বলা যায়, উপন্যাসের পরিণতি পাঠককে দীর্ঘদিন তাড়িয়ে বেড়াবে।

স্বপ্নের শিল্প: খোয়াবনামা নামের তাৎপর্য

উপন্যাসের নামের মধ্যেই লুকিয়ে আছে এর শিল্পকৌশলের চাবিকাঠি। ফারসি খোয়াব অর্থ স্বপ্ন, নামা অর্থ গ্রন্থ বা বয়ান — অর্থাৎ স্বপ্নের গ্রন্থ। ইলিয়াস এখানে স্বপ্নকে ব্যবহার করেছেন বাস্তবতার বিকল্প ভাষা হিসেবে।

উপন্যাসে বারবার আসে চরিত্রদের দেখা স্বপ্নের বর্ণনা। এই স্বপ্নগুলো তিনটি স্তরে কাজ করে:

  • মনস্তাত্ত্বিক স্তর: চরিত্রদের অবদমিত ভয়, আকাঙ্ক্ষা ও অপরাধবোধের প্রকাশ।
  • সামাজিক স্তর: স্বপ্নে প্রতিফলিত হয় গ্রামসমাজের সম্মিলিত আশঙ্কা — দাঙ্গা, উচ্ছেদ, সর্বনাশের ভয়।
  • ঐতিহাসিক স্তর: স্বপ্ন হয়ে ওঠে ইতিহাসের পূর্বাভাস — যা ঘটতে চলেছে তার ছায়া।

লাতিন আমেরিকার জাদুবাস্তবতার সঙ্গে ইলিয়াসের এই কৌশলের মিল আছে, কিন্তু এটি কোনো অনুকরণ নয়। বাংলার লোকঐতিহ্যে স্বপ্ন-ব্যাখ্যার যে দীর্ঘ পরম্পরা আছে — পির-ফকিরের খোয়াবনামা, স্বপ্নে পাওয়া তাবিজ — ইলিয়াস সেই মাটি থেকেই তার শিল্প তুলে এনেছেন।

ইতিহাসের নির্মোহ পাঠ

খোয়াবনামার সবচেয়ে বড় শক্তি এর ঐতিহাসিক সততা। ইলিয়াস দেশভাগকে দেখেছেন নিচ থেকে — সাধারণ কৃষক, জেলে, বয়াতির চোখে। তার বয়ানে:

  • সাম্প্রদায়িকতার উৎস উন্মোচিত: দাঙ্গা হঠাৎ আকাশ থেকে পড়ে না; এর পেছনে আছে জমিদার-মহাজনের স্বার্থ, রাজনৈতিক নেতাদের উসকানি আর ঔপনিবেশিক শাসনের বিভাজননীতি।
  • তেভাগা আন্দোলনের ছায়া: কৃষকের জমির দাবি, ফসলের ন্যায্য ভাগের লড়াই — শ্রেণিসংগ্রামের এই ধারা উপন্যাসের পটভূমিতে সজীব।
  • নারীর দৃষ্টিকোণ: কুলসুম বেওয়ার মতো চরিত্রের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের নারীভাষ্য উঠে এসেছে — যুদ্ধ-দাঙ্গায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নারীই।

ইলিয়াস কোনো পক্ষের প্রচারক নন। হিন্দু-মুসলমান — উভয় সম্প্রদায়ের ভালো-মন্দ, সাহস-কাপুরুষতা তিনি সমান নির্মোহতায় এঁকেছেন। এই নিরপেক্ষতাই উপন্যাসটিকে প্রচারসাহিত্য থেকে শিল্পে উন্নীত করেছে।

ভাষা ও আখ্যানকৌশল

খোয়াবনামার ভাষা বাংলা উপন্যাসের অন্যতম বিস্ময়। ইলিয়াস ব্যবহার করেছেন উত্তরবঙ্গের লোকভাষা ও উপভাষার সমৃদ্ধ ভান্ডার — কিন্তু তা কখনোই দুর্বোধ্য নয়। বরং এই ভাষাই চরিত্রদের প্রাণ দিয়েছে। মুনসুর বয়াতির গান, গ্রাম্য প্রবাদ, দৈনন্দিন সংলাপ — সব মিলিয়ে একটি জীবন্ত ভাষাজগৎ তৈরি হয়েছে।

আখ্যানকৌশলেও ইলিয়াস পরীক্ষামূলক। স্বপ্ন ও বাস্তবের সীমানা ঝাপসা হয়ে যায়, অতীত-বর্তমান একাকার হয়, একাধিক কণ্ঠস্বর পরস্পরকে ছেদ করে। তবু পাঠক কখনো হারিয়ে যান না — কারণ প্রতিটি কণ্ঠের পেছনে আছে একটি স্পষ্ট মানবিক সত্য।

কাদের পড়া উচিত এই উপন্যাস

  • ইতিহাসপ্রেমী পাঠক: দেশভাগকে পাঠ্যবইয়ের বাইরে, মানুষের জীবনে অনুভব করতে চাইলে।
  • সাহিত্যের ছাত্র: বাংলা উপন্যাসের আধুনিক শিল্পরূপ বুঝতে খোয়াবনামা অপরিহার্য।
  • সাধারণ পাঠক: গল্পের টান, চরিত্রের গভীরতা আর ভাষার সৌন্দর্য — সবই আছে; ধৈর্য ধরে পড়লে এটি জীবনের অন্যতম সেরা পাঠ-অভিজ্ঞতা হবে।

তবে একটা সতর্কবাণী: এটি হালকা বিনোদনের বই নয়। ধীরগতির, ঘনবুনটের এই উপন্যাস দাবি করে মনোযোগ ও ধৈর্য। যারা তাড়াহুড়ো করে পড়েন, তারা এর রস থেকে বঞ্চিত হবেন।

উপসংহার

খোয়াবনামা শুধু একটি উপন্যাস নয় — এটি একটি জাতির আত্মজিজ্ঞাসা। ১৯৪৭-এর ক্ষত আজও আমাদের সমাজে দগদগে; সাম্প্রদায়িকতার বিষ আজও মাঝে মাঝে মাথা তোলে। ইলিয়াস প্রায় তিন দশক আগে যে প্রশ্ন তুলেছিলেন — মানুষ কেন মানুষের শত্রু হয়, স্বপ্ন কেন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয় — সেই প্রশ্ন আজও প্রাসঙ্গিক।

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৯৭ সালে মারা যান, খোয়াবনামা প্রকাশের মাত্র এক বছর পর। তিনি হয়তো জানতেন না তার এই বই বাংলা সাহিত্যের চিরায়ত সম্পদ হয়ে উঠবে। কিন্তু আজ, প্রজন্মের পর প্রজন্মের পাঠক এই বই পড়ে শিহরিত হচ্ছেন — এটাই একজন লেখকের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। খোয়াবনামা পড়ুন, এবং বাংলাদেশের মাটি ও মানুষকে নতুন করে চিনুন।

চরিত্র বিশ্লেষণ: মাটির মানুষের মহাকাব্য

খোয়াবনামার চরিত্ররা কোনো কাল্পনিক নায়ক-নায়িকা নয়; তারা বাংলার মাটি থেকে উঠে আসা জীবন্ত মানুষ। তমিজের বাপ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় চরিত্র — দরিদ্র, সরল, কিন্তু আত্মমর্যাদাবোধে অটল। জমিদারের অত্যাচার, মহাজনের শোষণ — সব সয়েও সে মাথা নত করে না। তার চরিত্রে ইলিয়াস এঁকেছেন বাঙালি কৃষকের সহস্র বছরের সহনশীলতা ও প্রতিরোধের দ্বৈত রূপ।

কুলসুম বেওয়া উপন্যাসের আবেগকেন্দ্র। সংসারের অভাব, সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ — এসবের মধ্যেও তার স্বপ্নগুলোতে ফুটে ওঠে এক ধরনের আধ্যাত্মিক দৃষ্টি। ইলিয়াস নারী চরিত্রটিকে শুধু ভুক্তভোগী হিসেবে দেখাননি; কুলসুমের স্বপ্নব্যাখ্যার ক্ষমতা তাকে গ্রামের মধ্যে এক বিশেষ মর্যাদা দেয়। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে একজন দরিদ্র নারীর এই আধ্যাত্মিক কর্তৃত্ব ইলিয়াসের নারীদৃষ্টির পরিচায়ক।

মুনসুর বয়াতি হলেন জনপদের স্মৃতির ধারক। তার গানে গানে বেঁচে থাকে গ্রামের ইতিহাস — যা কোনো পাঠ্যবইয়ে লেখা নেই। বয়াতি চরিত্রের মধ্য দিয়ে ইলিয়াস দেখিয়েছেন, ইতিহাস শুধু রাজা-বাদশাহদের নয়; গান, কিংবদন্তি আর লোককথায় বেঁচে থাকা মানুষেরও ইতিহাস আছে।

পার্শ্বচরিত্রগুলোও সমান জীবন্ত — জমিদারের নায়েব, মহাজন, মসজিদের ইমাম, হিন্দু প্রতিবেশী। প্রতিটি চরিত্রের নিজস্ব ভাষা, নিজস্ব যুক্তি, নিজস্ব দুর্বলতা আছে। কোনো চরিত্রই একমাত্রিক নয়; এমনকি খল চরিত্রগুলোরও মানবিক দিক আছে।

সমালোচকদের দৃষ্টিতে খোয়াবনামা

প্রকাশের পর থেকেই খোয়াবনামা সাহিত্য-সমালোচকদের বিপুল প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই একে বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলোর একটি বলে মনে করেন। সমালোচকরা বিশেষভাবে প্রশংসা করেছেন:

  • ঐতিহাসিক উপন্যাসের নতুন সংজ্ঞা: প্রচলিত ঐতিহাসিক উপন্যাস যেখানে রাজা-যুদ্ধের গল্প বলে, সেখানে খোয়াবনামা ইতিহাস লেখে সাধারণ মানুষের জীবন দিয়ে।
  • ভাষার মৌলিকত্ব: উপভাষাকে শিল্পভাষায় রূপান্তরের এই সাফল্য বাংলা সাহিত্যে বিরল।
  • রাজনৈতিক সততা: কোনো দল বা মতবাদের প্রচার নয়; মানুষের পক্ষে দাঁড়ানোর সাহস।

তবে কিছু সমালোচক উপন্যাসের দৈর্ঘ্য ও ধীরগতির সমালোচনাও করেছেন। তাদের মতে, কিছু অংশে বর্ণনা অতিরিক্ত বিস্তারিত, যা সাধারণ পাঠকের ধৈর্যচ্যুতি ঘটাতে পারে। এই সমালোচনা আংশিক সত্য হলেও, উপন্যাসের মহাকাব্যিক পরিসরের জন্য এই বিস্তার অনেকাংশে অপরিহার্য ছিল।

পড়ার অভিজ্ঞতা: কীভাবে পড়বেন

খোয়াবনামা একবসায় পড়ার বই নয়। এর জন্য চাই সময় ও নিমগ্নতা। কয়েকটি পরামর্শ:

  • প্রতিদিন নির্দিষ্ট কিছু পৃষ্ঠা করে পড়ুন; তাড়াহুড়ো করবেন না।
  • স্বপ্নের অংশগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন — সেখানেই লুকিয়ে আছে উপন্যাসের গভীরতম অর্থ।
  • ১৯৪০-এর দশকের ইতিহাস সম্পর্কে সামান্য ধারণা থাকলে উপন্যাস আরও উপভোগ্য হবে।
  • পড়া শেষে কিছুদিন ভাবুন; এই উপন্যাসের রেশ সহজে কাটে না।

যারা প্রথমবার ইলিয়াস পড়ছেন, তারা চাইলে আগে তার ছোটগল্প পড়ে ভাষার সঙ্গে পরিচিত হতে পারেন। তবে সরাসরি খোয়াবনামা দিয়েও শুরু করা যায় — উপন্যাস নিজেই পাঠককে তার জগতে টেনে নেয়।

শেষ কথা: স্বপ্ন যেখানে ইতিহাস হয়

খোয়াবনামা শেষ করার পর পাঠকের মনে যে অনুভূতি থাকে, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। একদিকে গভীর বেদনা — মানুষের নিষ্ঠুরতার, ইতিহাসের নির্মমতার বেদনা। অন্যদিকে এক ধরনের মুক্তি — সত্যের মুখোমুখি হওয়ার মুক্তি। ইলিয়াস আমাদের সান্ত্বনা দেন না; তিনি আমাদের জাগিয়ে তোলেন।

বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্মের জন্য এই উপন্যাস বিশেষভাবে জরুরি। আমরা যারা দেশভাগ দেখিনি, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ভয়াবহতা অনুভব করিনি — তাদের জন্য খোয়াবনামা একটি সেতু। এই সেতু পেরিয়ে আমরা বুঝতে পারি, আমাদের আজকের শান্তি কতটা ভঙ্গুর, আর মানবিক মূল্যবোধ রক্ষা করা কতটা জরুরি।

আরও পড়ুন

বাংলা সাহিত্যের সঙ্গে থাকুন

নতুন বই, কবিতা ও লেখক আপডেট পেতে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন।