মূল কন্টেন্টে যান

ইংরেজি শেখার সেরা ১০টি বই

October 5, 2026 · Rakibul Hasan · ব্লগ

ইংরেজি আজ আর শুধু একটি ভাষা নয় — এটি পড়াশোনা, চাকরি, ফ্রিল্যান্সিং, বিদেশে উচ্চশিক্ষা আর ইন্টারনেটের জ্ঞানভান্ডারে প্রবেশের চাবি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইংরেজিতে দক্ষতা একজন তরুণের ক্যারিয়ারের গতিপথই বদলে দিতে পারে। অথচ ভুল বই বেছে নেওয়া বা এলোমেলো পদ্ধতিতে শেখার কারণে অনেকেই মাঝপথে হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দেন।

ভালো খবর হলো, ইংরেজি শেখার জন্য দশকের পর দশক ধরে পরীক্ষিত এমন কিছু বই আছে, যেগুলো বিশ্বের লাখো শিক্ষার্থীর ভরসার নাম। এই তালিকায় রইল এমন ১০টি বই — গ্রামার, শব্দভাণ্ডার, লেখার দক্ষতা আর কথোপকথন — প্রতিটি ক্ষেত্রের সেরা বইগুলো বাছাই করে। আপনার বর্তমান পর্যায় যাই হোক না কেন, এখান থেকে শুরু করলে পথ হারাবেন না।

গ্রামারের ভিত্তি মজবুত করার বই

ভাষা শেখার প্রথম শর্ত হলো ব্যাকরণের ভিত্তি মজবুত করা। ভিত্তি দুর্বল থাকলে যত শব্দই শিখুন না কেন, বাক্য গঠনে আত্মবিশ্বাস আসবে না। নিচের বইগুলো এই ভিত্তি গড়ার কাজে কিংবদন্তিতুল্য।

  1. High School English Grammar & Composition — পি. সি. রেন ও এইচ. মার্টিন: উপমহাদেশে ইংরেজি গ্রামার মানেই এই বই। প্রজন্মের পর প্রজন্মের শিক্ষার্থী এই বই পড়ে গ্রামার শিখেছে। প্রতিটি নিয়মের সঙ্গে প্রচুর উদাহরণ ও অনুশীলনী থাকায় স্কুল-কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। ধৈর্য ধরে অধ্যায় ধরে ধরে এগোলে গ্রামারের কোনো ফাঁক থাকবে না। পরীক্ষার প্রস্তুতির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তি গড়তেও এই বইয়ের জুড়ি নেই।
  2. English Grammar in Use — রেমন্ড মার্ফি: নিজে নিজে ইংরেজি শেখার জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় বইগুলোর একটি। প্রতিটি পৃষ্ঠার বাম পাশে নিয়মের ব্যাখ্যা, ডান পাশে অনুশীলনী — এই অনন্য কাঠামোয় বইটি স্ব-শিক্ষার্থীদের কাছে অমূল্য। ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এই একটি বই শেষ করলেই গ্রামারে দৃঢ় আত্মবিশ্বাস পাবেন। শিক্ষক ছাড়া শিখতে চাইলে এর চেয়ে ভালো বিকল্প খুঁজে পাওয়া কঠিন।
  3. Essential Grammar in Use — রেমন্ড মার্ফি: যারা একেবারে গোড়া থেকে শুরু করতে চান, তাদের জন্য মার্ফির এই সহজ সংস্করণ। ছোট ছোট বাক্য, সহজ ব্যাখ্যা আর ছবিসহ উদাহরণে বইটি প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ভয় কাটিয়ে দেয়। ইংরেজিতে দুর্বল বলে যাদের হীনম্মন্যতা আছে, তাদের শুরুটা এখান থেকেই হওয়া উচিত। ভিত্তি পোক্ত হলে পরে English Grammar in Use-এ যাওয়া সহজ হবে।
  4. Practical English Usage — মাইকেল সোয়ান: এটি একটানা পড়ার বই নয়, বরং অভিধানের মতো একটি রেফারেন্স বই। ইংরেজি ব্যবহারে যে শত শত সাধারণ ভুল ও দ্বিধা আছে, সেগুলোর সমাধান প্রশ্নোত্তর আকারে সাজানো। শিক্ষক, অনুবাদক ও উচ্চপর্যায়ের শিক্ষার্থীদের টেবিলে এই বই থাকা মানে একজন বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতা পাশে থাকা। কোনো বাক্য নিয়ে সন্দেহ হলেই এই বই খুলুন — উত্তর পেয়ে যাবেন।

শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর বই

গ্রামার হলো ভাষার কঙ্কাল, আর শব্দ হলো তার মাংস। শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ না হলে পড়া, শোনা, বলা — কোনোটাই স্বচ্ছন্দ হবে না। নিচের বইগুলো শব্দ শেখাকে করেছে আনন্দদায়ক ও স্থায়ী।

  1. Word Power Made Easy — নরম্যান লুইস: শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর বইয়ের জগতে এই বই এক কিংবদন্তি। লেখক শব্দের উৎপত্তি, মূল (রুট) ও গঠনপ্রণালি এমন গল্পের ছলে বুঝিয়েছেন যে একবার পড়লে শব্দ আর ভোলা যায় না। প্রতিদিন একটি করে অধ্যায় পড়ার অভ্যাস গড়ুন — তিন মাসে নিজের পরিবর্তন নিজেই টের পাবেন। মুখস্থ নয়, বোঝার মাধ্যমে শেখাই এই বইয়ের মূলমন্ত্র।
  2. 30 Days to a More Powerful Vocabulary — নরম্যান লুইস: নামেই বইটির প্রতিশ্রুতি — ত্রিশ দিনে শক্তিশালী শব্দভাণ্ডার। প্রতিদিনের পাঠ সাজানো হয়েছে ছোট ছোট ধাপে, সঙ্গে আছে কুইজ ও পুনরালোচনা। যাদের হাতে সময় কম কিন্তু নিয়মিত অভ্যাস গড়তে চান, তাদের জন্য এই বইটি আদর্শ সঙ্গী। প্রতিদিন মাত্র বিশ মিনিট দিলেই ফল পাওয়া যায়।
  3. English Vocabulary in Use — মাইকেল ম্যাকার্থি ও ফেলিসিটি ও’ডেল: কেমব্রিজ প্রকাশিত এই সিরিজটি বিষয়ভিত্তিক শব্দ শেখায় — কর্মক্ষেত্র, ভ্রমণ, শিক্ষা, দৈনন্দিন জীবন। প্রতিটি ইউনিটে শব্দের ব্যবহারবিধি, বাগধারা ও সমার্থক শব্দ একসঙ্গে শেখা যায়। মার্ফির গ্রামার বইয়ের মতোই এটিও স্ব-শিক্ষার জন্য চমৎকারভাবে সাজানো। বিভিন্ন পর্যায়ের (লেভেলের) সংস্করণ থাকায় নিজের মান অনুযায়ী বেছে নেওয়া যায়।

লেখা ও বলার দক্ষতা শানানোর বই

নিয়ম জানা আর তা প্রয়োগ করা এক কথা নয়। লেখা ও বলার দক্ষতা আসে সচেতন অনুশীলনে। এই বিভাগের বইগুলো সেই অনুশীলনের দিশা দেবে।

  1. The Elements of Style — উইলিয়াম স্ট্রাংক জুনিয়র ও ই. বি. হোয়াইট: ইংরেজিতে ভালো লেখার জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত ছোট বই। মাত্র শত পৃষ্ঠার এই বই শেখায় কীভাবে অপ্রয়োজনীয় শব্দ বাদ দিয়ে স্পষ্ট, সংক্ষিপ্ত ও শক্তিশালী বাক্য লিখতে হয়। একাডেমিক লেখা, অফিসের ইমেইল বা ফ্রিল্যান্সিংয়ের প্রপোজাল — সব ক্ষেত্রেই এই বইয়ের শিক্ষা কাজে লাগবে। “অপ্রয়োজনীয় শব্দ বাদ দাও” — এই একটি নিয়মই লেখার মান বদলে দেয়।
  2. Better English — নরম্যান লুইস: ব্যাকরণের শুষ্ক নিয়ম নয়, বরং দৈনন্দিন ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার ব্যবহারিক গাইড। বইটি পড়তে পড়তে পাঠক নিজের অজান্তেই বুঝতে পারেন কোথায় কোথায় ভুল করছিলেন। যারা মোটামুটি ইংরেজি জানেন কিন্তু আরও নির্ভুল ও সাবলীল হতে চান, তাদের জন্য এটি চমৎকার। প্রতিটি অধ্যায় শেষে নিজেকে যাচাই করার ব্যবস্থা আছে।
  3. Speak English Like an American — অ্যামি গিলেট: বইয়ের ইংরেজি আর বাস্তব কথোপকথনের ইংরেজির মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ। এই বই শেখায় প্রচলিত ইডিয়ম, ফ্রেজাল ভার্ব ও কথ্য প্রকাশভঙ্গি — মজার সংলাপের মাধ্যমে। যারা বিদেশিদের সঙ্গে কথা বলতে বা ইন্টারভিউ দিতে নার্ভাস বোধ করেন, তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বইটি দারুণ কার্যকর। প্রতিটি সংলাপের সঙ্গে অনুশীলনী থাকায় শেখা হয় টেকসই।

আপনার পর্যায় অনুযায়ী কোথা থেকে শুরু করবেন

সব বই একসঙ্গে কিনে ঘাবড়ে যাবেন না। নিজের বর্তমান অবস্থা বুঝে শুরু করুন:

  • একেবারে নতুন: Essential Grammar in Use ও 30 Days to a More Powerful Vocabulary — সহজ ভাষা, ছোট ছোট ধাপ।
  • মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়: Wren & Martin ও Word Power Made Easy — পরীক্ষার প্রস্তুতি ও ভিত্তি, দুটোই মজবুত হবে।
  • চাকরিপ্রার্থী ও ফ্রিল্যান্সার: English Grammar in Use, The Elements of Style ও Speak English Like an American — লেখা ও বলা, দুই দক্ষতাই একসঙ্গে।
  • শিক্ষক ও উচ্চপর্যায়ের শিক্ষার্থী: Practical English Usage ও English Vocabulary in Use-এর উচ্চতর সংস্করণ — সূক্ষ্মতা ও নির্ভুলতার জন্য।

শুধু বই পড়লেই হবে না — অভ্যাসটাই আসল

বই কিনে তাকে সাজিয়ে রাখলে ইংরেজি শেখা হবে না। প্রতিদিন অন্তত ত্রিশ মিনিট নিয়মিত পড়ুন, অনুশীলনীগুলো খাতায় লিখে সমাধান করুন, আর নতুন শেখা শব্দ দিয়ে নিজে নিজে বাক্য বানান। সম্ভব হলে ইংরেজি সংবাদপত্র বা সহজ গল্পের বই পড়ার অভ্যাস গড়ুন — বইয়ের শিক্ষা বাস্তবে প্রয়োগ না করলে তা টেকে না। ভুল করতে ভয় পাবেন না; ভুলই শেখার দ্রুততম পথ।

যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন

ভুল বইয়ের চেয়েও বড় সমস্যা ভুল পদ্ধতি। ইংরেজি শেখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা সাধারণত কয়েকটি ভুল বারবার করেন। প্রথম ভুল — শুধু গ্রামারের নিয়ম মুখস্থ করা, প্রয়োগ না করা। নিয়ম জানা আর বাক্য বানাতে পারা এক নয়; প্রতিটি নিয়ম শেখার পর নিজে দশটি বাক্য বানিয়ে দেখুন। দ্বিতীয় ভুল — শব্দের অর্থ মুখস্থ করা, কিন্তু বাক্যে ব্যবহার না শেখা। একটি শব্দের অর্থ জানার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জানা সেটি কোন প্রসঙ্গে, কীভাবে ব্যবহৃত হয়। Word Power Made Easy-এর মতো বই এই কারণেই কার্যকর — সেখানে শব্দ শেখা হয় প্রসঙ্গসহ।

তৃতীয় ভুল — ভয় পেয়ে না বলা। ইংরেজি বলতে গিয়ে ভুল হবে — এটাই স্বাভাবিক। যারা ভুলের ভয়ে মুখ খোলেন না, তারা কখনো সাবলীল হন না। চতুর্থ ভুল — একদিনে পাঁচ ঘণ্টা পড়ে পরের দশ দিন না পড়া। ভাষা শেখায় ধারাবাহিকতাই সব; প্রতিদিন ত্রিশ মিনিট নিয়মিত পড়া, সপ্তাহে একদিন পাঁচ ঘণ্টা পড়ার চেয়ে বহুগুণ কার্যকর। পঞ্চম ভুল — নিজের পর্যায়ের চেয়ে কঠিন বই দিয়ে শুরু করা। কঠিন বই হতাশা আনে; সহজ বই দিয়ে শুরু করে ধাপে ধাপে এগোন।

বইয়ের পাশাপাশি অনলাইন রিসোর্স

বই হলো ভিত্তি, কিন্তু আজকের যুগে অনলাইন রিসোর্স সেই ভিত্তিকে দ্রুত মজবুত করতে পারে। বই পড়ার পাশাপাশি ইংরেজি সংবাদপত্রের ওয়েবসাইট থেকে প্রতিদিন একটি খবর পড়ুন — নতুন শব্দ নোট করুন। ইউটিউবে ইংরেজি শেখার অসংখ্য ফ্রি চ্যানেল আছে; শোনার দক্ষতা (লিসেনিং) বাড়াতে এগুলো অমূল্য। মোবাইলে ভোকাবুলারি-অ্যাপে প্রতিদিন দশটি শব্দ রিভিশন দিন — ব্যবধানটা কয়েক মাসেই টের পাবেন।

তবে সতর্কতা একটাই — রিসোর্সের ভিড়ে হারিয়ে যাবেন না। দশটি অ্যাপ ডাউনলোড করে কোনোটাই নিয়মিত ব্যবহার না করার চেয়ে একটি বই ধরে শেষ করা ভালো। বই দেয় কাঠামো ও গভীরতা; অনলাইন দেয় গতি ও বৈচিত্র্য। দুটোর সমন্বয়ই আদর্শ। মনে রাখবেন, লক্ষ্য সার্টিফিকেট নয় — বাস্তবে ইংরেজি ব্যবহারের দক্ষতা। চাকরির ইন্টারভিউতে, ক্লায়েন্টের ইমেইলে, বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনে — এই দক্ষতাই আপনার পার্থক্য গড়ে দেবে।

৯০ দিনের পড়ার পরিকল্পনা

বইয়ের তালিকা থাকলেও পরিকল্পনা ছাড়া এগোনো কঠিন। নিচে একটি ৯০ দিনের সহজ পরিকল্পনা দেওয়া হলো। প্রথম ৩০ দিন — ভিত্তি: প্রতিদিন Essential Grammar in Use বা Wren & Martin থেকে একটি অধ্যায় পড়ুন ও অনুশীলনী সমাধান করুন। পাশাপাশি 30 Days to a More Powerful Vocabulary থেকে প্রতিদিনের পাঠ শেষ করুন। লক্ষ্য — মৌলিক বাক্য-গঠনে আত্মবিশ্বাস। দ্বিতীয় ৩০ দিন — সম্প্রসারণ: English Grammar in Use-এর মাঝামাঝি অধ্যায়গুলো ধরুন, Word Power Made Easy থেকে প্রতিদিন একটি অধ্যায় পড়ুন। এই পর্যায়ে ইংরেজি সংবাদপত্রের ছোট খবর পড়া শুরু করুন — অজানা শব্দ নোট করে অর্থ শিখুন।

তৃতীয় ৩০ দিন — প্রয়োগ: The Elements of Style পড়ে প্রতিদিন একটি অনুচ্ছেদ লিখুন — ডায়েরি, মতামত, যেকোনো বিষয়ে। Speak English Like an American থেকে সংলাপ অনুশীলন করুন, সম্ভব হলে বন্ধুর সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলুন। ৯০ দিন শেষে নিজেকে যাচাই করুন — প্রথম দিনের সঙ্গে তুলনা করলেই পার্থক্য টের পাবেন। মনে রাখবেন, পরিকল্পনা কঠোরভাবে মানার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদিন কিছু করা; একদিন বাদ গেলে হতাশ না হয়ে পরের দিন আবার শুরু করুন।

ধৈর্য ধরুন: ভাষা শেখা সময় নেয়

অনেকেই তিন মাসে সাবলীল ইংরেজির আশা করেন, না পেরে হাল ছাড়েন। বাস্তবতা হলো — একটি ভাষায় কার্যকর দক্ষতা আসতে সাধারণত ছয় মাস থেকে এক বছর লাগে, তাও নিয়মিত চর্চায়। এই সময়টাকে উপভোগ করুন। প্রতিটি নতুন শব্দ শেখা, প্রতিটি শুদ্ধ বাক্য বলা — একটি করে ছোট জয়। এই ছোট জয়গুলো উদযাপন করুন; মনোবল ধরে রাখার এটাই উপায়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা — নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না। যে বন্ধুটি সাবলীল ইংরেজি বলে, সে হয়তো আপনার চেয়ে দুই বছর আগে শুরু করেছে। তুলনা করুন শুধু নিজের গতকালের সঙ্গে। আজকের আপনি গত মাসের আপনার চেয়ে ভালো — এটাই অগ্রগতি। ইংরেজি শেখা একটি বিনিয়োগ, যার লভ্যাংশ সারাজীবন পাবেন — চাকরিতে, ব্যবসায়, ভ্রমণে, জ্ঞান-অর্জনে। তাই আজই শুরু করুন, আর লেগে থাকুন। সাফল্য সময়ের ব্যাপার মাত্র।

মনে রাখবেন, ভাষা শেখা ম্যারাথন, স্প্রিন্ট নয়। ধারাবাহিকতাই এখানে সবচেয়ে বড় কৌশল। উপরের ১০টি বইয়ের যেকোনো একটি দিয়ে আজই শুরু করুন। ছয় মাস পর নিজেই অবাক হবেন — ইংরেজি আর আপনার কাছে ভয়ের নাম থাকবে না, থাকবে আত্মবিশ্বাসের নাম।

আরও পড়ুন

বাংলা সাহিত্যের সঙ্গে থাকুন

নতুন বই, কবিতা ও লেখক আপডেট পেতে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন।