February 26, 2024

দ্য পার্ল – জন স্টাইনবেক

দ্য পার্ল হচ্ছে একজন মুক্তা শিকারির গল্প। মানব চরিত্র নিয়ে লেখা খুব ভালো একটি গল্প। এই তুলনামূলক ছোট নভেলটি আপনাকে বুঝিয়ে দিবে কোন কিছুকে চাওয়া ভালো কিন্তু বেশি মাত্রায় চাওয়াটা কখনোই ভালো না। লোভ কখনই শেষ পর্যন্ত ভালোর দিকে নিয়ে যায় না, লুভের শেষটা হয় ধ্বংসের মাধ্যমেই।

কাহিনি সংক্ষেপ:
কিনো একজন মুক্তা শিকারি। স্ত্রী জুয়ানা এবং পুত্র কয়োটিটোকে নিয়েই তার জীবন দারিদ্র্যের মধ্যেও সুখেই কাটছিল । লাপাজ নামক যে গ্রামটাতে কিনো বাস করে সেখানের সবাই মুক্তা শিকারি।একদিন কয়োটিটোকে বিচ্ছু কামর দিলে তাকে কিনো নিয়ে যায় পাশের শহরের ডক্টর এর কাছে, কিন্তু ডক্টর ওই লোক সেই সম্প্রদায়ের যারা প্রায় ৪০০ বছর ধরে কিনোর গুষ্টি কে মারছে। টাকা না থাকায় ডক্টর কয়োটিটোকে না দেখেই ফিরিয়ে দেয়। কিনো ছেলের চিকিৎসার টাকা জুগারের জন্য চলে যায় মুক্তা শিকারে। সেখানে সে খুঁজে পায় মুক্তা, এমন মুক্তা যেটার চাইতে বড় মুক্তা এর আগে কোথাও পৃথিবীতে পাওয়া যায়নি। কিনো চিন্তা করে এটাই তাদের দারিদ্র্য থেকে মুক্তির একটা সুযোগ। কিনর যে স্বপ্নগুলো চিন্তা করাও দুঃসাহসের ছিল, সে এখন চিন্তা করছে সেগুলো পূরণ করবে, ছেলেকে পড়ালেখা শিখাবে আরও নানান স্বপ্ন।

তার মুক্তা পাওয়ার খবরটা ছড়িয়ে পড়লো গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত । কিনোর প্রতি সবার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে গেল। অন্যদিকে মুক্তা ব্যবসায়ীরা কত কমে সেই মুক্তা টা কিনতে পারে তার ফন্দি আটলো।

মুক্তার সৌভাগ্যের সাথে সাথে কিনোর পরিবারের নিয়ে আসলো অশান্তি ছায়া। বদলাতে লাগলো কিনোর জীবন, কিনো এই শহরে মুক্তা বিক্রি করতে পারল না, মুক্তা ব্যবসায়ীরা তাকে ন্যায্য দাম দিচ্ছিল না , তাই সে অন্য শহরে বিক্রির জন্য বেরিয়ে পড়ল। এরমধ্যে ওর উপর ২ বার আক্রমণ হলো,ওর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা হলো মুক্তা টা এবং ওর ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হল,তার একমাত্র সম্পদ নৌকাটা কারা যেন ফুটো করে দিল । সকল অশান্তি পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত কি কিনো পারবে মুক্তা বিক্রি করতে?দারিদ্র্য থেকে মুক্তির যে স্বপ্নটা দেখেছিল সেটা কি পূরণ করতে পারবে? জানতে চাইলে পরে নিতে পারেন অসম্ভব ভালো এই “দ্য পার্ল” বইটি। আশা করছি হতাশ হবেন না।

– দ্য পার্ল
জন স্টাইনবেক

অসংখ্য ধন্যবাদ Mahjabin Srabon বইটি উপহার দেয়ার জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *